জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়াকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা অনেকটা ছাই চাপা আগুনের মতো। ইতিমধ্যেই ঈদের মেজাজকে শান্তিপূর্ণভাবে বজায় রাখার জন্য জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বেশকিছু বন্দিকে আগ্রার কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে নিয়ে আসা হয়েছিল। 

আর এরই মধ্যে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জঙ্গি শিবির পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠার খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রসঙ্গত, জম্মু ও কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা রদ এবং  জম্মু ও কাশ্মীরের এবং লাদাখ -কে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসাবে তুলে ধরার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তার পর থেকেই পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ফের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে খবর। 

গোয়েন্দা দফতরের একটি বিশেষ দল জানিয়েছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অন্তত ডজন খানেকেরও বেশি জঙ্গি শিবির পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্যারিসের আন্তঃসরকারি সংস্থা 'ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স' ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত একটি সময়সীমা নির্ধারিত করে দেওয়ায় পাক সরকারের তত্‍‌পরতায় পাক অধিকৃত কাশ্মীরের অনেক জঙ্গি ঘাঁটিই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু গত এক সপ্তাহে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটিগুলি ফের মাথা চারা দিয়ে উঠেছে। 

প্রসঙ্গত এর মধ্যেই আবার পাকিস্তানের তরফে হুঁশিয়ারি জারি করে রাখা হয়েছে যে, পুলওয়ামার ছকে ফের জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে, পাকিস্তানি জঙ্গিরা যে ফের সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে ঢুকে ফের সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবে এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন গোয়েন্দারা। তাই এর ফলে মুম্বই হামলার মতো নাশকতার সম্ভাবনার কথা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছেন না গোয়েন্দারা।