ভারত জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এরপরই পাকিস্তান ঘোষণা করেছে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কমিয়ে ফেলবে তারা। বৃহস্পতিবার আবার, দুই দেশের মধ্যে চলা সমঝোতা এক্সপ্রেস পরিষেবাও বন্ধ করেছে পাক প্রশাসন। ভারতের বিদেশ দফতর কিন্তু মনে করছে, এটা পাক প্রশাসনের একটা নাটক। বিশ্বের কাছে কাশ্মীরের একটা উদ্বেগজনক ছবি তুলে ধরে কাশ্মীর সমস্যার বিষয়ে নাক গলানোর চেষ্টা।

এদিন বিদেশ দফতরের পক্ষ থেকে, ইসলামাবাদকে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, জম্মু কাশ্মীর নিয়ে সিদ্ধান্ত, ভারতের অভ্যন্তরীন বিষয়। কাশ্মীরের বিকাশের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এতদিন সংবিধানের একটি বাধায় কাসঅমীর উপত্যকার উন্নয়নের কাজ থমকে ছিল। কিন্তু কাশ্মীরের উন্নয়ন হলে, কাশ্মীরে শান্তি ফিরে আসবে। অশান্তিকে কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানের  ফায়দা লোটার জায়গা বন্ধ হয়ে যাবে। আর তাই কাশ্মীরের একটা বুল ছবি তুলে ধরতেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কমিয়ে বিশ্বের কাছে একটা মিথ্যা বার্তা দিতে চাইছে পাকিস্তান।  

বিদেশ দফতরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বরাবরই পাকিস্তান বিশ্বের দরবারে ভারতের ভাবমূর্তিকে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে তাদের সন্ত্রাস চালানোর ঘটনাকে লঘু করে দিতে চায়। ভারতের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার সরাসরি উপায় না পেয়ে, তারা এই ভাবে আন্তর্জাতিক মহলের হাত ধরে কাশ্মীরের বিষয়ে নাক গলাবার চেষ্টা করে। কিন্তু এই ভাবে অতীতে পাকিস্তান কখলও সাফল্য পায়নি। এইবারেও পাবে না।