কোথায় জম্মু ও কাশ্মীর কোথায় মহারাষ্ট্র। শুক্রবার দেশের দুই প্রান্ত থেকে গ্রেফতার হল দুই ব্যক্তি। দুজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ, ভারতে বসে তারা পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তি করত। বদলে সীমান্তের ওইপাড় থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আসত তাদের হাতে।

প্রথমজন, কুলজিৎ কুমার। জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বা জেলা থেকে তাকে এদিন গ্রেফতার করেছে উপত্যকার পুলিশ। জানা গিয়েছে, কুলজিৎ উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় নিরাপততা বাহিনীর মূল অবস্থানের ছবি তুলে পাকিস্তানের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাতো সে। ২০১৮ সাল থেকে নিশ্চিন্তে এই কাজ করে যাচ্ছিল। তার কাছ চারটি মোবাইল ফোন এবং বেশ কয়েকটি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, সেই মোবাইল ফোনগুলিতে উপত্যকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেনা অবস্থানের ছবি পাওয়া গিয়েছে।

সাম্বা-র সিনিয়র পুলিশ সুপার (এসএসপি) রাজেশ শর্মা জানিয়েছেন, সাম্বা থানায় এনিমি এজেন্টস অর্ডিন্যান্স অ্যাক্ট-এর ধারা অনুযায়ী কুলজিতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার সূত্র ধরে কাশ্মীর উপত্যকায় আরও কয়েকজন পাক গুপ্তচরের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছে পুলিশ। সেই বিষয়েই তদন্ত চলছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানের জন্য চরবৃত্তির একই অভিযোগে একই দিনে মহারাষ্ট্র অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড গ্রেফতার করল হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেড বা হ্যাল-এর এক কর্মীকে। হ্যাল, ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিভাগকে নানা রকমের যুদ্ধবিমান, বিমানের যন্ত্রাংশ, ড্রোন ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তা করে থাকে। হ্যাল-এর ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা, আইএসআই-এর সরাসরি যোগাযোগ থাকার অভিযোগ রয়েছে। জানা গিয়েছে পাক গোয়েন্দা সংস্থাকে নিয়মিত ভারতীয় যুদ্ধবিমান এবং নাসিক-এ হ্যাল-এর যে শাখায় সেগুলি তৈরি করা হয়, সেই উত্পাদনকারী ইউনিট সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করতেন।