লাদাখ সীমান্তের উত্তাপ নিয়ে রবিবার আবাও বৈঠকে বসছে ভারত ও চিনা সেনা কর্তারা। এদিন বেলা এগারোটা নাগাদ লাদাখ সীমান্তের ওরারে মোলডো হবে বৈঠক। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে প্যাংগং লেক ও গোগরা পাস এলাকায় চিনা সেনার তৎপরতা নিয়ে আলোচনায় জোর দেবে ভারত। এর আগে লাদাখ ইস্যুতে দুবার মোলডোতে ভারত ও চিনা সামরিক পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।  

গত বৃহস্পতিবার একটি বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ  সীমারেখা এলাকায় বেশ কেয়কটি জায়গায় এখনও তৎপর রয়েছে চিনা সেনা। অবিলম্বে সেইসব স্পর্শকাতর এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে নিতে হবে চিনকে। যদিও তার আগেই চিনা বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি দিয়ে জানান হয়েছিল লাদাখ সীমান্তের উত্তপ কমাতে ভারত ও চিন উভয় দেশই শর্তমাফিক প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ সীমা রেখা থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে। পরেই পাল্টা বিবৃতি জারি করে ভারত বেজিং-এর দাবি নস্যাৎ করে দিয়েছে। 

দিন কয়েক আগে পাওয়া উপগ্রহ চিক্রের মাধ্যমেও দেখা গেছে প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার পাঁচ ও ছয় এলাকায় রীতিমত তৎপর চিনা সেনা। চিনের পিপিলস লিবারেশন আর্মির সদস্যদের মোতায়েনের পাশাপাশি বেশ কিছু নির্মাণ কাজও হয়েছে দুটি ফিঙ্গার এলাকায়। আধুনিক প্রযুক্তির বোট আনা হয়েছে, বসানো হয়েছে রেডার ও সৌর প্যালেন। এদিনের আলোচনায় প্যাংগং লেকে নিয়ন্ত্রণ সীমারেখা থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে ভারতীয় সেনা কর্তারা তৎপর হবেন বলেই সূত্রের খবর। 

একটি সূত্র জানাচ্ছে প্যাংগং লেক এলাকা নিয়ে প্রথম থেকেই অনড় মনোভাব দেখিয়েছে চিন। গালওয়ান সংঘর্ষের আগেও চিন প্যাংগং-এ ভারতীয় সীমান্তে টহল দিতে শুরু করেছিল। বর্তমানে গালওয়ান থেকে চিনা সেনা সরিয়ে আনার পর নতুন করে এই  এলাকায় শক্তপোক্ত ঘাঁটি তৈরি করেছে বলেও অভিযোগ ভারতের। 


পাসাপাশি গোগরা ১৭ এ এলেকায় এখনও চিনা সেনা সরিয়ে নেওয়ার কাজ শেষ হয়নি বলেও দাবি করেছে ভারতীয় সেনা বাহিনীর এক কর্তা। এদিনের আলোচনায় সেই গোগরা পাস নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।