Asianet News BanglaAsianet News Bangla

বাথরুম-লাইব্রেরিতেও পুলিশ, বেধড়ক মার মেয়েদের, এফআইআর-এর রাস্তায় জামিয়া

  • রবিবার রাতে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের তাণ্ডব
  • বাথরুম-গ্রন্থাগারেও ঢুকে পড়ার অভিযোগ
  • পুলিশের বিরুদ্ধেই হচ্ছে এফআইআর দায়ের
  • দিল্লি পুলিশ এই ঘটনার পর অনেকটাই ব্যাকফুটে

 

police entered bathrooms, libraries and beat up girls, Jamia students recount sunday night horror
Author
Kolkata, First Published Dec 16, 2019, 4:01 PM IST

এতদিন প্রতিবাদ ছিল 'বৈষম্যমূলক' নাগগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে। রবিবার রাতের 'ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা'র পর জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনের মুখ ঘুরল দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধেও। সোমবার সকালে দিল্লির হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় খালি গায়ে প্রতিবাদ জানালেন জনা দশেক ছাত্র। তাঁদের সমর্থনে জড়ো হয়েছিলেন আরও অনেকে। দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে রবিবার রাতে নির্বিচার হামলার গুরুতর অভিযোগ তুললেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে এফআইআর করার রাস্তায় যাচ্ছে।    

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গবেষক-এর অভিযোগ, রবিবার রাতে শুধু জামিয়া  মিলিয়ার ক্যাম্পাসে ঢোকাই নয়, পুলিশের পা পড়েছে তাদের শৌচালয়-গ্রন্থাগার'এও। খঞ্জলা নামে এক আহত ছাত্র জানিয়েছেন, রাতে ৭ নম্বর গেট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পিছনের গেট দিয়ে জনা সত্তর পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে নির্বিচারে লাঠি চালাতে শুরু করে। তাঁরা হিংসার ঘটনায় জড়িত নন, বারবার বলা সত্ত্বেও কথা কানে নেয়নি পুলিশ। এমনকী মেয়েদেরও মাটিতে ফেলে পেটানো হয়। খঞ্জলা তাঁর পায়ে এবং কুঁচকিতে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন।

এদিন এই বিষয়ে কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তাই নিয়ে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও একটি বৈঠক করে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে ক্যাম্পাসে পুলিশের প্রবেশ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমা আখতার জানিয়েছেন, পুলিশের বেপরোয়া আচরণে বহু সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি আঘাত নেমে এসেছে শিক্ষার্থীদের মনের উপর। সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি মিটিয়ে নেওয়া গেলেও ছাত্রছাত্রীরা যে মানসিক আঘাত পেয়েছেন, তাতে প্রলেপ দেওয়া সহজ নয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন রকম গুজব রটছে। তাতে ছাত্রছাত্রী কান না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন নাজমা আখতার।

তবে দিল্লি পুলিশ-এর জংসংয়োগ আধিকারিক এম এস রণধাওয়া ক্যাম্পাসে পুলিশের গুলি চালানো বা বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। উপাচার্যের অভিযোগ নিয়ে তাঁর দাবি, হিংসার ঘটনায় যারা জড়িয়েছিল, পুলিশের তাড়া খেয়ে তারা ক্যাম্পাসের ভিতরে গিয়ে আশ্রয় নেয়। বিতর থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। তাদের পিছু করতেই কিছু পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়েছিল। এই বিষয়ে বিশদে তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন এম এস রণধাওয়া।

 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios