এগিয়ে আসছে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের দিন। অর্থনীতিকে যে কোনওভাবে চাঙ্গা করার দিশা দেখাতেই হবে মোদী সরকার-কে। নাহলে ৩৭০ ধারা বাতিল, রাম মন্দির, নাগরিকত্ব আইন, জেএনইউ-তে রড গ্যাঙ-এর দাপট ইত্য়াদির হইচই-এর তলায় সাময়িক চাপা পড়ে থাকা অর্থনীতির ফুটোফাটা রূপটা ফের নগ্ন হয়ে পড়বে। বৃহস্পতিবার তাই বাজেটের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লিতে নীতি আয়োগ কার্যালয়ে দেশের কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

সরকারের খবরে বলা হয়েছে, বৈঠকে মন্ত্রিসভার তরফে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল এবং কেন্দ্রীয় শিল্প-বানিজ্যমন্ত্রী নীতিন গড়করি। কিন্তু কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের কথা বলা হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই বৈঠকের বেশ কিছু ছবিও প্রকাশ হয়েছে। তাতেও কোথাও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী-কে দেখা যায়নি। কারণ তিনি সেই বৈঠকে ছিলেনই না।

এই অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময়ে অর্থমন্ত্রীকে ছাড়াই বাজেট বৈঠক। বেশ অস্বাভাবিক নয় কি? ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। নেটিজেনরা প্রশ্নের বন্য়া বইয়ে দিয়েছেন। ২০১৯ সালে দ্বিতীয়ার প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন ঠিকই, কিন্তু তারপর থেকে বছরটা মোটেই ভাল যায়নি নরেন্দ্র মোদীর। ২০২০ সালের শুরুটাও কিন্তু এখনও পর্যন্ত আশাব্যঞ্জক নয়। একের পর এক বিষয়ে আঙুল উঠছে তার সরকারের দিকে।