ভিত গড়ার আগেই পরিকল্পনায় ফাটল। এবার মহারাষ্ট্রের মহাজোটে শুরু অশান্তি। মন্ত্রিত্ব না পেয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ হলেন কংগ্রেসের ওজনদার নেতারা। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে তড়িঘড়ি কংগ্রেসের বৈঠক ডাকলেন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি। মাত্র কিছুদিনের মধ্য়েই শিবসেনা, এনসিপি, কংগ্রেসের এই হাল দেখে মুচকি হাসছে মহারাষ্ট্র বিজেপি।  

আর যাই হোক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মন্ত্রিত্ব পাবেন না তা স্বপ্নেও ভাবেনি চহ্বন। কিন্তু শিবসেনার শাসনে মন্ত্রিত্ব পেলেন না মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চহ্বন ছাড়াও দলিত নেতা সুশীল কুমার শিন্ডের মেয়ে। যার জেরে উদ্ধব ঠাকরের সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ হলেন কংগ্রেসের ৬ বিধায়ক। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হস্তক্ষেপ করতে হয় সোনিয়া গান্ধিকে। সূত্রের  খবর, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ইতিমধ্য়েই সোনিয়ার আহ্বানে মহারাষ্ট্রের বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক ডেকেছেন সোনিয়া। 

ঘটনার সূত্রপাত গত সোমবার। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পর ফের ৩৬ জন বিধায়ককে মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসেন উদ্ধব ঠাকরে। যাদের মধ্যে স্থান পান আদিত্য ঠাকরে, অনিল পরব, সঞ্জয় রাঠোর, গুলাবরাও পাতিল, দাদা ভুসে ও সন্দীপন ভুমরে। এদের মধ্য়ে এনসিপি থেকে মন্ত্রী হন দিলীপ ওয়ালেস পাতিল, ধনঞ্জয় মুন্ডে, অনিল দেশমুখ, হাসান মুশারিফ, রাজেন্দ্র সিংঘনে, নওয়াব মালিক, রাজেশ তোপে, বালাসাহেব পাতিল, জিতেন্দ্র অওয়াধ। কিন্তু কংগ্রেসের থেকে অশোক চহ্বন, বিজয়, ভারসে গাইকোয়াড়ে, সুনীল কেদার, অমিত দেশমুখ, ঘয়াসমতি ঠাকুর, আসলাম শেখ ও কেসি পদভি মন্ত্রী পদে শপথ নিলেও বাদ পড়ে যান অনেকেই।

সূত্রের খবর, এরপরই সোনিয়া-রাহুলের কাছে মন্ত্রিত্ব নিয়ে দরবার করেন অন্তত ৬ জন কংগ্রেস বিধায়ক। এই বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের মধ্যে ছিলেন পৃথ্বীরাজ চহ্বন,নাসিম খান, প্রণতি শিন্ডে,সংরাম থোপটে, আমিন প্যাটেল এবং রোহিদাস পাতিল। ইতিমধ্য়েই মহারাষ্ট্রে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন কংগ্রেস বিধায়কদের সমর্থকরা। যার জেরে শুরুতেই ধাক্কা খেতে চলেছে তিন দলীয় মহাজোট।