আবার কি কংগ্রেস সভাপতির পদে ফিরতে চলছেন ওয়াইনাডের সাংসদ রাহুল গান্ধী। দিন কয়েক আগে হয়ে যাওয়া কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে তেমনই  দাবি উঠেছে। আর সেই দাবি তুলছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলত। একই দাবি জানিয়েছেন রাহুলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলটও। তিনি সরাসরি জানিয়েছেন দলের নেতা কর্মীরা সকলেই চাইছে দলের দায়িত্ব গ্রহণ করুন রাহুল গান্ধী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়েই নেতৃত্ব দিক। শচীন পাইলট আরও জানিয়েছেন দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রথম থেকেই সরব ছিলেন রাহুল। লকডাউন থেকে চিন প্রতিটি ইস্যুতেই মোদীকে তীক্ষ্মভাবে নিশানা করে চলেছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে রাহুলের কোনও বিকল্প নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি। 

অন্যদিকে দলের অন্দরেও ধীরে ধীরে সক্রিয় হচ্ছেন রাহুল গান্ধী। বুধবারই একটি বৈঠক করেছেন তিনি। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা কেসি ভেনুগোপালের উপস্থিতিতে প্রতিটি রাজ্যের কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেই বৈঠক হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতা সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। পাশাপাশি আর্থিক দুরবস্থা আর সীমান্ত ইস্যুতেই কংগ্রেসের নেতা কর্মীদের সরব হতে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। 

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের আরেও তীব্র বিরোধিতা করতে নতুন রূপে আসছেন রাহুল গান্ধী। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি চ্যালেন খুলেছেন তিনি। এবার হয়তো তাঁকে আরও ঘন ঘন দেখা যাবে। কারণ লকডাউনের প্রথম পর্ব থেকেই ভোডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একের পর এক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর আলাপচারিতার যথেষ্টই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আর বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় রমরমা। তাই প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করেই  মোদীর বিরুদ্ধে অস্ত্রে শান দেবেন বলেই মনে করছেন রাজনৈতি বিশেষজ্ঞরা। বিজেপি বা নরেন্দ্র মোদীর থেকে কিছুটা পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় দৌড় শুরু করেও রীতিমত নজর কেড়েছে রাহুল। টুইটার ফেসবুক সহ একাধিক প্ল্যাটফর্মে যথেষ্ট সক্রিয় তিনি।