সোশ্যাল মিডিয়ায় কংগ্রেস বিজেপি যুদ্ধ অব্যাহত রাহুল গান্ধী দেশকে বিভ্রান্ত করছেন বলে বার্তা বিজেপি নেতার একই সঙ্গে গান্ধী পরিবার নিয়ে কটাক্ষকিন্তু মোদীকে কটাক্ষ করে বার্তা  রাহুলের 


 কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এবার আসরে নামলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। কারণ করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রথম থেকেই রাহুল গান্ধী নিশানা করে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গালওয়ান ইস্যুতেই প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেন রাহুল গান্ধী। চিনা সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে কিনা তা নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তোলেন রাহুল। যা নিয়ে আগেই সরব হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ। এবার মুখ খুললে জেপি নাড্ডাও। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সোমবার সোশ্যাল মিডিয়া ওয়াইনাডের কংগ্রেসের সাংসদের বিরুদ্ধে রীতিমত সরব হন বিজেপি নেতা। জেপি নাড্ডা বলেন, রাহুল গান্ধী প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত স্ট্যান্ডিং কমিটির কোনও সভায় অংশ গ্রহণ করেন না। কিন্তু তিনি ক্রমাগত দেশের মানুষের মনোভাবকে অস্থির করে তুলেছেন। প্রশ্ন তুলছেন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব নিয়ে। একজন দায়িত্ববান বিরোধী নেতার এক কাজ করা উচিৎ নয় বলেও মন্তব্য করেন জেপি নাড্ডা। 

Scroll to load tweet…

জেপি নাড্ডা কিন্তু এখানেই থেমে থাকেননি। তিনিও প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল গান্ধীর পরিবার নিয়ে। পরের বার্তা জেপি নাড্ডা কিছুটা কটাক্ষের সুরেই বলেন , রাহুল গান্ধী সেই গৌরবময় বংশীয় যেখানে প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত অনেক প্রশ্ন রয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, কংগ্রেসে এমন অনেক যোগ্য নেতা রয়েছেন যাঁরা সংসদীয় কাজকর্মে রীতিমত দক্ষ। তবে রাজবংশের সদস্যরা যোগ্য নেতাদের সামনে আসতে দেয় না বলেও অভিযোগ করেন। 

Scroll to load tweet…

তবে জেপি নাড্ডার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কোনও মন্তব্যই করেননি রাহুল গান্ধী। কিন্তু এদিন সাত সকালে নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করেন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বার্তা দিয়েছেন তিনি। এদিন অবশ্য রাহুল সীমান্ত সংক্রান্ত কোনও ইস্যু উত্থাপন করেননি। তবে তিনি নোটবন্দি আর জিএসটি চালু করার বিষয়গুলি উত্থাপন করেছেন। একই সঙ্গে উত্থাপন করেছেন করোনাভাইরাসের মত জ্বলন্ত ইস্যুও। তিনটি ইস্যুকে উত্থাপন করে রাহুল গান্ধী বলেছেন, মোদী সরকারের এই তিনটি ব্যর্থতা নিয়ে আগামী দিনে গবেষণা হতে পারে হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে। সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি ভিডিও জুড়ে দেন তিনি। যেখানে প্রধানমন্ত্রী করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য ২১ দিন সময় চেয়েছিলেন।

Scroll to load tweet…