বিজেপির পাশাপাশি এবার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে আরএসএস-কে একহাত নিলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি। অসমের সভা থেকে রাহুল বলেন,নাগপুর থেকে বসে রাজ্য় চালাতে দেবে না অসমবাসী। উত্তর পূর্বের এই রাজ্য়ের একটা আলাদা  সংস্কৃতি,ভাষা,ইতিহাস আছে। বিজেপি , সংঘ পরিবার মিলে তা ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তা কখনোই হতে দেব না। অসমে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন লাগু হতে দেবে না কংগ্রেস।

টানা তিন সপ্তাহ হয়ে গেলেও সিএএ নিয়ে প্রতিবাদের আগুন থামছে না দেশে। নিয়ন্ত্রণে এলেও নাগরিকত্ব আইন নিয়ে হিংসা ছড়িয়েছে অসমে। খোদ বিজেপি শাসিত অসমে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের  প্রতিবাদে হিংসাত্বক বিক্ষোভ ছড়ায়। এদিন যা নিয়ে বিজেপি আরএসএস-কে একহাত নেন রাহুল গান্ধি। তিনি বলেন,অসমের  তরুণরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। সিএএ নিয়ে অন্যান্য রাজ্যেও বিক্ষোভ হচ্ছে। কিন্তু এই আন্দোলনকে বন্ধ করতে বিক্ষোভকারীদের গুলি করতে হচ্ছে সরকারকে। এর থেকে খারাপ অবস্থা দেখেনি দেশ। ছাত্রদের প্রতিবাদে দেশের নানা জায়গায় গুলি চালানো হচ্ছে।

সূ্ত্রের খবর, গুয়াহাটিতে নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভে অংশ যাঁরা মারা গিয়েছেন তাদের বাড়ি যাবেন রাহুল। বিজেপিকে কোণঠাসা করতে ছাত্র আন্দোলনকেই এখন হাতিয়ার করছে অসম কংগ্রেস। ইতিমধ্য়েই সিএএ বিরোধী প্রতিবাদে মারা গেছেন ১৬ বছরের স্যামস স্টেফোর্ড এবং ১৭ বছরের দীপাঞ্জন দাস। এদের মৃত্যু নিয়েই হইচই পড়ে গিয়েছে অসমজুড়ে। তাই উত্তরপূর্বে গিয়ে এদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা রাহুলের।

তবে ইতিমধ্য়েই রাহুলের অসম সফর নিয়ে কটাক্ষ শুরু করেছে রাজ্য় বিজেপি। তাদের অভিযোগ, কংগ্রেসের আমল থেকে এনআরসি লাগু হয়েছে রাজ্যে। বিদেশি বিতারণে অসম চুক্তির কথা বলেছিলেন খোদ রাজীব গান্ধি। এখন মোদী সরকার ধর্মীয় কারণে বিতারিতদের নাগরিকত্ব দিতে চাইলে তা নিয়ে প্রতিবাদ হচ্ছে। আর এই প্রতিবাদের আগুনে হাওয়া দিচ্ছেন রাহুল । অসমবাসী এই নেতিবাচক রাজনীতি মেনে নেবে না।