Asianet News Bangla

শচীন পাইলট প্রধানমন্ত্রী হতে চাইছেন বলে তোপ কংগ্রেস, আদালতের এক্তিয়ার নেই বললেন সিংভি

বিজেপিতে যোগ দিয়ে ৪৫-এ কি প্রধানমন্ত্রী হতে চান শচীন পাইলট
কংগ্রেস নেত্রী মার্গারেট আলভার তোপ 
আদালতের সিংভির নিশানায় টিম শচীন 
স্পিকারের নোটিশের সপক্ষে সওয়াল  

Rajasthan crisis court cannot interfere right now singhvi says on sachin pilot case bam
Author
Kolkata, First Published Jul 20, 2020, 2:45 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

শচীন পাইলট ও তাঁর অনুগামীদের প্রতিটি পদক্ষেপেই রীতিমত সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে। আদালতে অভিষেক মনু সিংভির সওয়ালের সামনে পড়তে হয়েছে তাঁদের। পাশাপাশি কংগ্রেস নেতৃত্বও রীতিমত নিশানা করে চলেছেন পাইলট ও তাঁর অনুগামীদের। 


রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার সি পি যোশীর পাঠান নোটিশ আদালতের বিচার্য বিষয়ই নয়। শচীন পাইলট বনাম রাজস্থান সরকার মামলায় স্পিকারের পক্ষে দাঁড়িয়ে তেমনই সওয়াল করলেন কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ তথা আইনজীবী অভিষেক মনুসিংভি। তিনি আরও বলেন স্পিকার এখনও পর্যন্ত কোনও বিধায়ককে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেননি। তিনি শুধুমাত্র নোটিশ পাঠিয়ে অনুপস্থিতির কারণ জানতে চেয়েছিলেন।

রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোর গেহলট বিধায়কদের পরপর দুটি বৈঠক ডাকেন। দুটি বৈঠকেই গরহাজির ছিলেন রাজস্থানের বিদ্রোহী কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট।  উপস্থিত হননি তাঁর অনুগামী আরও ১৮ বিধায়ক। তারপরই তাঁদের অনুপস্থিতির কারণ জানতে চেয়ে রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার সিপি যোশী শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। সেই নোটিশের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ রয়েছে শচীন শিবির। পাইলট  শিবিরের আইনজীবী হরিশ সালভে ও মুকুল রোগতগি। আগের দিনই বলেছিলেন যে বিধানসভায় বা লোকসভায় উপস্থিত থাকার জন্য হুইপ জারি করা যায়। কোনও কারও  বাড়িতে উপস্থিত হওয়ার জন্য হুইপ জারি করা যায় না। 


স্পিকারের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে এদিন অভিষেকমনু সিংভি বলেন স্পিকার সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন বা না পারেন। কিন্তু প্রিঅর্ডার পর্যায়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা যায় না। মামলাটি খারাপ আর আবেদকরা  অত্যাধিক চাতুরির সঙ্গে বিষয়গুলি উত্থাপন করেছে বলেও মন্তব্য  করেন সিংভি। সিংভির সওয়াল ছিল স্পিকার কারও বিধায়ক পদ খারিজ করেননি। কিন্তু অনুপস্থিত ১৯  বিধায়কের রাজনৈতিক অবস্থান জানতে চেয়েছেন মাত্র। আর স্পিকারকে সংবিধানই সেই অধিকার দিয়েছে। এই শুনানি বিচার বিভাগের ক্ষমতা বহির্ভূত বলেও দাবি করেছেন তিনি। 

অন্যদিকে কংগ্রেসের বর্ষিয়ান নেত্রী মার্গারেট আলভাও রীতিমত নিশানা করেন শচীন পাইলটকে। তিনি বলেন কেনও এত তাড়াহুড়ো করেছেন শচীন পাইলট। তিনি কোথায় পৌঁছাতে চাইছেন। তাঁর আরও অভিযোগ বিজেপিতে যোগ দিয়ে কি শচীন পাইলট ৪৩এ মুখ্যমন্ত্রী আর ৪৫ এ প্রাধনমন্ত্রী হতে চাইছেন। 

বর্ষিয়ন কংগ্রেস নেত্রীর কথায় শচীন পাইলট বিদ্রোহের সময়টা মোটেও ভালো বাছেননি। একে সীমান্তে চিনের অগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে দেশ। অন্যদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে দেশের অন্দরে। এই সময় রাজস্থন সরকারকে অস্থির করা মটেও ঠিক হয়নি। কারণ সংখ্যা গরিষ্ঠতার ভিত্তিতেও সরকার গঠন করেছিল কংগ্রেস। আর সেই সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ পেয়েছিলেন শচীন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির মত গুরুত্বপূর্ণ পদে বসেছিলেন তিনি। 

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার দলত্যাগের সময়ও এই বর্ষিয়ার কংগ্রেস নেত্রী বলছিলেন যে প্রতিটি চাহিদা কেউ পুরণ করতে পারে না। এই জাতীয় নেতৃত্বের দলের প্রতি বা আদর্শের প্রতি কোনও আনুগত্য নেই বলেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios