রাম মন্দিরের ভিত্তি তৈরির জন্য একটি নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে। এখনও পর্যন্ত সেই দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে নির্মাণকারী সংস্থাগুলি। কারণ মন্দিরের স্তম্ভগুলি পরীক্ষামূলকভাবে রোপন করার সময় হালকা বালি পাওয়া গেছে। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০০ ফুট নিচে বালি পাওয়া গেছে। মন্দির নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে লারসেন অ্যান্ড টুব্রো ও টাটা কনসাল্টিং-এর ইঞ্জিনিয়াররা। তাঁরাই নতুন কৌশল অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে বলেই জানিয়েছেন মন্দির নির্মাণের জন্য গঠিত শ্রীরাম জন্মভূমি  তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সদস্য অনিল মিশ্র। 

মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ট্রাস্ট ও রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির একটি বৈঠক হয়। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান হয়েছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর মন্দিরের ভিত্ত তৈরির জন্য ও স্তম্ভগুলি স্থাপনের জন্য সংলগ্ন এলাকায়  একটি পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেখানেই আগলা বালি পাওয়া গেছে গেছে বলেও জানান হয়েছে। আগামী সাড়ে তিন বছরের মধ্যে মন্দির তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। 


শ্রীরাম জন্মভূমি ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে রাম মন্দির কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ১১ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের কোষাধক্ষ্য স্বামী গোবিন্দ দেব গিরিজি মহারাজ জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরাই এই মন্দির নির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেছেন মূল মন্দির নির্মাণের জন্য ৩০০-৪০০ কোটি টাকা খরচ করা হবে। পুরো মন্দির প্রাঙ্গণ নির্মাণের জন্য আনুমানিক ১১০০ কোটি টাকা ব্যায় হবে বলেও মনে করা হচ্ছে। 

করোনার নতুন স্ট্রেনে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে চড়চড়িয়ে, উদ্বেগ বাড়াল ওড়িশার ২৭ বিলেত ফেরত .

'প্রধানমন্ত্রী দরিদ্র মায়ের সন্তান', কৃষক আন্দোলন নিয়ে কেন একথা বললেন রাজনাথ সিং ...

মন্দির ট্রাস্ট সূত্রের খবর দিল্লি, বোম্বে, মাদ্রাজ, গুয়াহাটির কেন্দ্রীয় বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও রুরকি আইআইটির বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে লারসেন অ্যান্ড টুব্রো ও টাটা কনসাল্টিং-এর ইঞ্জিনিয়াররা মন্দির নির্মাণের দিকে কাজে এগিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত এই ট্রাস্ট এখনও পর্যন্ত অনলাইনে ১০০ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছে মন্দির নির্মাণের জন্য।