বুধবারই, চিন্ময়ানন্দ কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করা আইন ছাত্রীকে। স্থানীয় আদালতে গ্রেফতার পূর্ববর্তী জামিনের আবেদন করেছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে অবশ্য স্বস্তি পেলেন না ওই তরুণী। বরং এই মামলায় একটা বড় মোড় দেখা গেল। বিশেষ তদন্তকারী দলের অফিসাররা জানালেন, ওই তরুণী ৫ কোটি টাকার জন্য চিন্ময়ানন্দের উপর চাপ দেওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। এরপরই তাঁকে ১৪ দিনের জন্য বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠালো আদালত।

এদিন আদালতে বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রধান বিনীত অরোরা জানান, জেরার মুখে ওই আইন-ছাত্রী ৫ কোটি টাকার জন্য চিন্ময়ানন্দের উপর চাপ দেওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। এই সপ্তাহের শুরুর দিকেই সঞ্জয় সিং-সহ আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তারা চিন্ময়ানন্দকে টাকার জন্য় হুমকি দিয়ে ফোন করার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। এই সঞ্জয় সিং-ই ওই তরুমীর বন্দু। জেরার মুখে ওই তরুণী বলেন, সঞ্জয়কে তিনিই হুমকি মেসেজ পাঠানোর জন্য বলেছিলেন।

গত অগাস্ট মাসের শেষ দিকে, উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে তিনি ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন। বাজপেয়ী সরকারের আমলে স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে পাল্টা চিম্নয়ানন্দ টাকার জন্য জুলুম করার অভিযোগ করেছিলেন।