এই মাসের শুরুর দিকে যে সাতটি আসনে ভোট হয়েছে তা হল উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর, উত্তর প্রদেশের ঘোসি, কেরালার পুথুপ্পল্লী, পশ্চিমবঙ্গের ধুপগুড়ি, ঝাড়খণ্ডের ডুমরি এবং ত্রিপুরার বক্সানগর ও ধনপুর। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোট গণনা।

৬টি রাজ্যের সাতটি বিধানসভা আসনে ৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনের জন্য আজ ভোট গণনা হবে৷ এই নির্বাচনগুলিকে বিরোধী জোটের জন্য একটি অগ্নি পরীক্ষা হিসাবে দেখা হচ্ছে কারণ এটি এই বছরের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার লক্ষ্য রাখে এবং আগামী বছর সাধারণ নির্বাচন। এই মাসের শুরুর দিকে যে সাতটি আসনে ভোট হয়েছে তা হল উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর, উত্তর প্রদেশের ঘোসি, কেরালার পুথুপ্পল্লী, পশ্চিমবঙ্গের ধুপগুড়ি, ঝাড়খণ্ডের ডুমরি এবং ত্রিপুরার বক্সানগর ও ধনপুর। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোট গণনা। সাতটি আসনের মধ্যে ধনপুর, বাগেশ্বর ও ধূপগুড়ি বিজেপির দখলে। ইউপি এবং ঝাড়খণ্ডের আসনগুলি যথাক্রমে সমাজবাদী পার্টি এবং ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা দ্বারা দখল করা হয়েছিল। ত্রিপুরার বক্সানগর আসন এবং কেরালার পুথুপল্লী যথাক্রমে সিপিএম এবং কংগ্রেসের কাছে ছিল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বর্তমান বিধায়ক এবং ওবিসি নেতা দারা সিং চৌহান আবার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে ঘোসি আসনটি খালি হয়েছিল। অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন দল এখন ঘোসির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টা করছে। উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বরে, এপ্রিল মাসে চার বারের বিধায়ক এবং ক্যাবিনেট মন্ত্রী চন্দন রাম দাসের মৃত্যুর পরে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা ওমেন চান্ডির মৃত্যুতে কেরলের পুথুপালি আসনটি খালি হয়েছিল।

ত্রিপুরায় সিপিএম ঘোষণা করেছে যে তারা গণনা বয়কট করবে। এটি দুটি নির্বাচনী এলাকায় ভোটের সময় বড় আকারের অনিয়মের অভিযোগ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ধুপগুড়িতে, ক্ষমতাসীন তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সিপিএম এবং কংগ্রেস বাহিনীতে যোগ দিয়েছে। প্রসঙ্গত, তিনটি দলই ইন্ডিয়ার অংশ। গত ৫ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার উপনির্বাচন হয় ধূপগুড়িতে। তিনদিনের মাথায় ফল প্রকাশ উপনির্বাচনের। শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। জানা যাচ্ছে প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে উপনির্বাচনে। মূলত তৃণমূল, বিজেপি ও বাম-কংগ্রেস জোটের ত্রিমুখী লড়াই হয়েছে এই কেন্দ্রে। বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপদ রায়ের প্রয়াণের কারণেই এই উপনির্বাচন। উল্লেখ্য নির্বাচনে তিন পক্ষের প্রার্থীই রাজবংশী সম্প্রদায়ের প্রার্থী।

ধূপগুড়িতে আজ বিজেপি লড়াই করবে পুরাতন ক্ষমতা কায়েম রাখার জন্য। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন বিষ্ণুপদ রায়। তাঁর মৃত্যুর কারণেই উপনির্বান হচ্ছে এই কেন্দ্রে। বিজেপি এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে কাশ্মীরে নিহত জওয়ানের স্ত্রী কাকলি রায়কে। আরেকদিকে, রাজবংশী অধ্যুষিত আসন ছিনিয়ে নিতে মরিয়া চেষ্টা করছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসও। এখানে তৃণমূলের পক্ষ থেকে লড়ছেন অধ্যাপক নির্মলচন্দ্র রায়। অন্য দিকে কংগ্রেস সমর্থিত সিপিএম প্রার্থীও জোরদার লড়াই করছেন। বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ভাওয়াইয়া গানের শিল্পী তথা শিক্ষক ঈশ্বরচন্দ্র রায়। তিন জন প্রার্থীই রাজবংশী সম্প্রদায়ের।