গত ৬ দিন ধরে তাকে তন্ন তন্ন করে খুঁজছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশঅবশেষে বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের উজ্জইন থেকে গ্রেফতার হয়েছে বিকাশ দুবেকীভাবে গ্রেফতার হল এই কুখ্যাত গ্যাংস্টারতার গ্রেফতারির ঘটনা কম নাটকীয় নয় 

৬ দিন ধরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ার পর, বৃহস্পতিবার সকালে মধ্যপ্রদেশের উজ্জইনের মহাকাল মন্দির থেকে গ্রেফতার হয়েছে কুখ্যাত গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে। ২ জুলাই কানপুরের বিক্রু গ্রামে তাকে গ্রেফতার করতে যাওয়া পুলিশের উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল সে ও তার দলবল। ঘটনায় ৮ পুলিশ কর্মীর মৃত্য়ু হয়েছিল। তারপর থেকে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে নাকানি-চোবানি খাইয়ে প্রতিবেশী রাজ্য থেকে ধরা পড়ল সে। তবে তার গ্রেফতারির ঘটনাও কম নাটকীয় নয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মধ্যপ্রদেশ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতারি নিশ্চিত বোঝার পরই উত্তরপ্রদেশের এই দুর্ধর্ষ মাফিয়া চিৎকার করে উঠেছিল, 'ম্যায় বিকাশ দুবে হুঁ, কানপুরওয়ালা (আমি কানপুরের বিকাশ দুবে)'। পুলিশকর্মীরা যখন তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের গাড়িতে তোলার জন্য হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল সেই সময়ও আরও একবার বিকাশ দুবে চিৎকার করে ওঠে, 'ম্যায় বিকাশ দুবে হুঁ, কানপুরওয়ালা'।

Scroll to load tweet…

উজ্জইন জেলার কালেক্টর জানিয়েছেন, এদিন সকালে বিকাশ দুবে উজ্জইন-এর মহাকাল মন্দিরের দিকে যাচ্ছিল। প্রবেশের মুখে মন্দিরের নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে বিকাশ দুবে হিসাবে চিনে ফেলে। অবশ্য পরিচয় গোপন করার জন্য কোনও ছদ্মবেশ বা ওই ধরণের কিছু সে ধারণ করেনি। তবে তাকে চেনার পরও তার কুখ্যাতির কারণেই মন্দিরের নিরাপত্তারক্ষীরা নিজেরা কিছু না করে সোজা পুলিশকে খবর দিয়েছিলেন। এরপরই পুলিশ এসে তাকে ঘিরে ফেলে এবং অবশেষে গ্রেফতার। তবে মন্দিরে ভিতর থেকে না বাইরে, ঠিক কোথা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তা জানায়নি মধ্যপ্রদেশ পুলিশ।

বুধবার শেষবার এক সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে বিকাশ দুবে-কে উত্তরপ্রদেশের পশ্চিম সীমান্তবর্তী এক এলাকায় দেখা গিয়েছিল। পুলিশ মনে করেছিল, সে নয়ডা, গৌতম বুদ্ধ নগরের মতো দিল্লির আশপাশের কোনও এলাকায় লুকিয়ে আছে। তাই ওইসব এলাকায় তল্লাশি বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত তার সন্ধান মিলল মধ্যপ্রদেশ থেকে। কীভাবে সে পুলিশের নজর এড়িয়ে সীমান্ত পার করল, তা এখনও পরিষ্কার নয়। পুলিশ দানিয়েছে গ্রেফতারির পর বিকাশ তার পরিচয় স্বীকার করেছে। এখন পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।