সপ্তাহের প্রথম দিনেই ধাক্কা ভারতের শেয়ার বাজারে। খোলার সঙ্গে সঙ্গে ধস নামে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচক ওঠার পরিবর্তে নিম্নগামী হয়। সোমবার সকালে সেনসেক্স খোলার সময় সূচক ছিল প্রায় ১,৫৪০.৫৮। যা প্রায় চার শতাংশ কম। এক ধাক্কায় সেনসেক্স নেমে যায় প্রায় ১৭০০। একই ছবি নিফটির ক্ষেত্রেও। সেখানেও ধস ৩.৮০ শতাংশ। শেয়ার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস ও ইয়েস ব্যাঙ্কের সমস্যা প্রভাব ফেলেছে ভারতের শেয়ার বাজারে। কারণ বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়াছে ভারতে। একের পর এক করোনায় আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। যা চিন্তায় ফেলে দিয়েছে লগ্নিকারীদের। ইয়েস ব্যাঙ্কের সমস্যাও কপালে ভাঁজ ফেলেছে লগ্নিকারিদের। কেন্দ্রীয় সরকার আশ্বাস দিলেও ইয়েস ব্যাঙ্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে রীতিমত উদ্বিগ্ন গ্রাহকরা। একই ছবি লগ্নকারীদের ক্ষেত্রও।শুক্রবার থেকেই সূচকের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ইয়েস ব্যাঙ্ক। সপ্তাহের প্রথম দিনেও সেই সংকটই অব্যাহত রইল। 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ গোটা বিশ্বেই মহামারির আকার নিয়েছে। করোনাভাইরাসের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে চিনের অর্থনীতেতে। রীতিমত সংকটে সেদেশের ব্যবসা বাণিজ্য। তারই প্রভাব পড়তে শুরু করেছে গোটা বিশ্বেই।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারেও প্রভাব পড়েছে। ছবিটা একই রয়েছে এশিয়ার বাজারের ক্ষেত্রেও। সকালে বাজার খুলতেই ধস নামে জাপানের শেয়ার বাজারে। সেখানে প্রায় এক হাজার পয়েন্ট পড়ে যায় নিকেই ২২৫। 

গোটা বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারতেও শেয়ার বাজারে ঝিমুনি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। লগ্নিকারিদের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে অপরিশোধিত তেলে দাম। এক ধাক্কায়া অনেকটাই পড়ে গেছে অপরিশোধিত তেলের দাম। ১৯৯৯ সালে,  উপসাগরীয় যুদ্ধের পর এই প্রথম প্রায় তিরিশ শতাংশ পড়ে যায় অপরিশোধিত তেলের দাম।