৮১ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন দিল্লি কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রী শীলা দীক্ষিত। স্বাভাবিকভাবেই এই সদা হাস্যমুখ প্রবীন রাজনীতিকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং খথেকে শুরু করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দ, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী শুরু করে সকলেই রাজনৈতিক রঙ ভুলে শীলা দীক্ষিতের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন।

সারাজীবন শীলা দাক্ষিত কংগ্রেস দলেরই একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। কংগ্রেস দলের পক্ষ থেকে টুইটারে তাঁকে আদ্যন্ত 'কংগ্রেসওম্য়ান' বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দিল্লিকে তিনি পাল্টে দিয়েছেন।

রাজনৈতিক মতানৈক্য থাকলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও মেনে নিয়েছেন শীলা দীক্ষিত, দিল্লির বিকাশের জন্য তিনি উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন। একই সঙ্গে প্রয়াত কংগ্রেস নেত্রীকে তিনি উষ্ণ ও সদালাপী স্বভাবের বলে উল্লেখ করেছেন।

কংগ্রেসের প্রাক্তন সবাপতি রাহুল গান্ধী জানিয়েছেন দলের কাজের বাইরেও শীলা দীক্ষিতের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক স্পর্ক ছিল। নেত্রীর প্রয়াণে তিনি বিধ্বস্ত।

শীলা দীক্ষিতকে পরাজিত করেই ২০১৩ সালে প্রথমবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি জানিয়েছেন শীলা দীক্ষিতের প্রয়ান দিল্লির জন্য বড় ক্ষতি।

বিজেপি সাংসদ তথা দিল্লির বিজেপি সভাপতি মনোজ তিওয়ারি জানিয়েচেন, সম্প্রতি শীলা দীক্ষিতের সঙ্গে তিনি দেখা করেছিলেন। একেবারে মায়ের মতো করে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন প্রয়াত কংগ্রেস নেত্রী। তাঁর প্রয়াণে তিনি বড় ধাক্কা খেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস সভাপতি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেছেন, শীলা দীক্ষিত শুধু কংগ্রেস দলেরই বড় নেত্রী ছিলেন না, দল, দেশের রাজনীতি এবং বিশেষ করে দিল্লীর জন্য় তাঁর অবদান অপরিমেয়।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেছেন শীলা দীক্ষিতের মৃত্যুতে দেশ এক জননেত্রীকে হারাল।