প্রথমে ভাবা হয়েছিল আত্মহত্যাকিন্তু পরে বের হল ঠান্ডা মাথায় খুনজোড়া বয়ফ্রেন্ডের সাহায্যে ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটালো স্ত্রীকেন খুন হতে হল স্বামীকে কী দোষ করেছিলেন তিনি 

চারদিন আগে সবাই জানত, দিল্লির রোহিনী এলাকার বছর পঞ্চাশের কৃষ্ণ ত্যাগী আত্মহত্যা করেছেন। অবসাদে ভুগছেন তিনি। কিন্তু, চারদিন পর পুলিশি তদন্তে পাল্টে গেল সব হিসাব। জানা গিয়েছে ঘটনাটি আত্মহত্যা নয় একেবারে পরিকল্পিত খুন। আর এই কান্ডটি করেছে খোদ নিহতের স্ত্রী প্রিয়ঙঅকা ত্যাগী। সাহায্য করেছে তার জোড়া প্রেমিক, যারা নিজেরা আবার সম্পর্কে দুই ভাই।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল গত ১৮ অগাস্ট। কৃষ্ণ ত্যাগী-কে আনা হয়েছিল বুদ্ধবিহারের সরকারি হাসপাতালে। ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। প্রিয়ঙ্কা ত্যাগী পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জানিয়েছিলেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে কৃষ্ণ ত্যাগীর এই অবস্থা। কিন্তু, ডাক্তাররা পরীক্ষা করতে গিয়ে তাঁর ঘাড়ে ফাঁসের চিহ্ন পেয়েছিলেন। প্রিয়াঙ্কা সেই সময় একেবারে কান্নায় ভেঙে পড়ে জানিয়েছিল, তার স্বামী অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন। কে কী বলবে এই ভয়ে সে পরিবারের সদস্যদের সত্যিটা জানায়নি।

তাঁর এই আচরণ পুলিশের সন্দেহজনক লেগেছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টচ হতে নিয়ে প্রিয়ঙ্কাকে কড়া জেরা করতেই সে ভেঙে পড়ে। পুলিশকে সে জানায়, সেই তার স্বামীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। তাকে এই কাজে সাহায্য করেছে করণ বর্মা এবং বীরু বর্মা নামে তার দুই প্রেমিক। আত্মহত্যা হিসাবে সাজানোর জন্য শ্বাসরোধ করে হত্যার পর তার দেহ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়াও হয়েছিল।

প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছে, তাঁর স্বামী তাঁর চেয়ে ২০ বছরের বড় ছিলেন। বুড়ো স্বামীকে নিয়ে মনে মনে তিনি হতাশ ছিলেন। এইসময়ই ভছর কয়েক আগে তাঁকে বীরু বর্মার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল তার বোন। বীরুর প্রেমে পড়ে গিয়েছিল সে। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই আলাপ হয় বীরুর ছোট ভাই করণ বর্মার সঙ্গেষ করণের প্রেমেও পাগল হয়ে যায় প্রিয়ঙ্কা। এমনকী করণকে তার ভাই পরিচয় দিয়ে রোহিনির ফ্লাটেই রেখেছিল সে। প্রিয়াঙ্কাকে গ্রেফতারের পরই করণ ও বীরু পালিয়েছিল। করণকে পরে মোরাদাবাদের গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বীরু বর্মার খোঁজ চলছে।