দিল্লি সংলগ্ন এলাকায় চলা কৃষক বিক্ষোভ নিয়ে এই শীতকালেও রাজনীতির পারদ চড়তে শুরু করেছে। রবিবার বিজেপি দাবি করেছে চরমপন্থীরাই কৃষক বিদ্রোহ হাইজ্যাক করেছেষ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ও উত্তরাখণ্ড রাজ্যে শাখারইনচার্জ দুষ্যন্ত কুমার গৌতম বলেন বিক্ষোভের মধ্যে থেকে মাঝে মাঝে খালিস্তানপন্থী স্লোগান উঠছে। পাশাপাশি পাকিস্তানপন্থী স্লোগানও দেওয়া হচ্ছে। আর তাতেই প্রমাণ হয় এই বিক্ষোভ কর্মীসূচি উগ্রবাদীদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন কৃষি আইন পুরো দেশের জন্য, তবে কেন শুধুমাত্র পঞ্জাবের কৃষকরাই আন্দোলনে নেমেছেন। পাশাপাশি তিনি কংগ্রেসকেও আক্রমণ করেন। কিনি বলেন কৃষকদের দাঙ্গা লাগাতে প্ররোচিত করছে কংগ্রেস। পাল্টা কংগ্রেসও এদিন আক্রমণ করে বিজেপিকে। রণদীপ সুরজেওয়ালা বলেন অমিত শাহ ভোট প্রচারে হায়দরাবাদ যেতে পারেন। কিন্তু কৃষকদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন না।  যদিও এদিন হায়দরাবাদে বসে অমিত শাহ বলেন কৃষক আন্দোলনে কোনও রাজনৈতিক দলের দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে না। 

কেন সামিল হয়েছেন আন্দোলনে সেটাই জানেন না বিক্ষুব্ধ কৃষকরা, তবে রয়েছে লম্বা প্রস্তুতি .

অমিত শাহর প্রস্তাব নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক বিক্ষোভকারী কৃষকদের, এখনও অব্যাহত রইল জট ...

করোনার টিকা কোভিশিল্ড নিয়ে অসুস্থ ভারতীয় স্বেচ্ছাসেবী, ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপুরণ দাবি ...
অন্যদিকে কৃষকরা সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দিয়েছেন কোনও বিক্ষুদ্ধ কৃষকদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে কোনও রাজনৈতিক দলের দলের নেতাদের তাঁদের মঞ্চে স্বাগত জানান হবে না। কংগ্রেস, বিজেপি, আপ- কোনও কোনও রাজনৈতিক দলের সাহায্য নেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন বিকেইউ ক্রান্তিকারি সংগঠনের সভাপতি সুরজিৎ এস ফুল। তিনি আরও বলেন যেসব সংস্থাগুলি তাদের সহযোগিতা করছে তারা যদি তাঁদের নিয়ম মেনে চলেন তবেও তাদের স্বাগত জানান হবে। 


আগেই শর্ত সাপেক্ষে কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন অমিত শাহ। সেইমত তাদের বুরারি গ্রাউন্ডে কৃষকদের যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু অমিত শাহের প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়ার পর কৃষকদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, তাঁরা কিছুতেই বুরারি পার্কে যাবে না। সেটি খোলা আকাশের নিচে একটি কয়েদখানা বলেও দাবি করেছেন তাঁরা। তিনি আরও বলেছেন কৃষকরা দিল্লির পাঁচটি প্রবেশ পথ আটকে দিয়ে দিল্লি ঘোরাও করে আবস্থান বিক্ষোভ করে যাবেন। টানা চার মাস আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার মত রসদ তাদের রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ভারতীয় কৃষক ইউনিয়নের হরিয়ানা শাখার সভাপতি গুরম সিং বলেন শর্ত ছাড়া সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য প্রস্তুত তারা। অন্যদিকে কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর বলেন,  ৩ ডিসেম্বর আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কৃষকদের। সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। কৃষকদের আন্দোলন ছেড়ে আলোচনায় বসা উচিৎ বলেও মনে করেন তিনি।