আর কিছুক্ষণ পরেই সাধারণ বাজেট পেশ। প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদী শপথ নেওয়ার পরে এটাই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। যদিও অর্থ বর্ষের মধ্যে থেকে ইতিমধ্যে ৩টি মাস চলে গিয়েছে। তাই এবার যে পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হচ্ছে তাতে মূলত আগামী ৯ মাসের কথাই বেশি করে প্রাধান্য পাবে। তবে এই কয়েক মাসে সরকারের সামনে বেশকিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা কেন্দ্রীয় সরকার কীভাবে করে তা পরিষ্কার ইঙ্গিত মিলবে এই বাজেটে। আজ কেন্দ্রীয় বাজেট, প্রথম পূর্ণ সময়ের মহিলা অর্থমন্ত্রী হিসেবে নজির গড়তে চলেছেন নির্মলা সীতারামণ। এতদিন ব্রিফকেসে করে বাজেট পেশের নথি নিয়ে সংসদে প্রবেশ করতেন অর্থমন্ত্রীরা। কিন্তু, নির্মলা সীতারামণ সংসদে প্রবেশ করেছেন লাল ফোলিও ব্যাগ নিয়ে। সংসদে পৌঁছনোর আগে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ বেলা ৯টা নাগাদ রাষ্ট্রপতি ভবনে যান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে। প্রথা মাফিক এই সৌজন্য সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতির আশীর্বাদও গ্রহণ করেন তিনি। 


এদিনের বাজেটে মূলত এই ৫টি বিষয়ে নজর থাকবে। একনজরে সেগুলি- 
আর্থিক সমীক্ষায় দেশের জি ডি পি বৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৭ শতাংশ। অতীতের নীতি পঙ্গুত্বের ফলে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল অর্থনীতিতে। এখন ভারতের আর্থিক সমৃদ্ধির রেখাচিত্র ঊর্ধ্বমুখী বলে মন্তব্য করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। ফলে মনে করা হচ্ছে আর্থিক বৃদ্ধির হারের ঊর্ধ্বমুখিকে ধরে রাখতে সরকার নিশ্চয় নতুন কোনও পদক্ষেপ নেবে। 

জি এস টি- গলা থেকে লালা ফিতের ফাঁস আলগা করাটাও এই বাজেটে বিশেষ করে গুরুত্ব পাচ্ছে। 

গাড়ি শিল্পের বাজারে মন্দা। তাই সরকারকে এমনকিছু পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে অটোমোবাইলের বাজারে নতুন করে প্রাণের সঞ্চার হয়। 

কর্মসংস্থান এই বাজেটে একটা বড় ইস্যু। ৬.৮৪ লাখ কেন্দ্রীয় পদ ফাঁকা। বাজেটে কোন পথ অর্থমন্ত্রী দেখাতে পারেন কি না সেদিকে এখন নজর সকলের। 

কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা নিয়ে বহু বছর ধরেই নানা দাবি উঠেছে। কিন্তু, সেভাবেই এই খাতে কোনও লাভ হয়নি আম-আদমির। স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশানে প্রবীণদের একটা ছাড়ের বন্দোবস্ত হয়েছে ঠিকই কিন্তু তা মোটেও যথেষ্ট নয়। এই বাজেটে আদৌ এই বিষয়গুলি পরিলক্ষিত হয় কি না তার দিকে তাকিয়ে চাকুরিজীবি ও ব্যবসায়ীরা।