উত্তর প্রদেশের যোগী সরকার কুম্ভমেলার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। মেল প্রাঙ্গণে সদা সর্বদা আলোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। 

কুম্ভমেলায় এবার ৪০ কোটি মানুষ পুণ্যস্নান করতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। যা আমেরিকা, কানাডার মত দুটি দেশের মোট জনসংখ্যার থেকেও বেশি। ৬ সপ্তাহ ধরে চলবে কুম্ভমেলা। পবিত্র গঙ্গা, যমুনা ও লুপ্তপ্রায় সরস্বতী নদীর মিলনস্থনে প্রতি ১২ বছর অন্তর আয়োজন করা হয় কুম্ভমেলা। এবার রয়েছে পূর্ণকুম্ভ। আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে কুম্ভমেলা। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

উত্তর প্রদেশের যোগী সরকার কুম্ভমেলার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। মেল প্রাঙ্গণে সদা সর্বদা আলোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে বা পূর্বতন এলাহাবাদে সেজে উঠতে চলেছে কুম্ভমেলা উপসক্ষ্যে।

কুম্ভমেলা উৎসবের মুখপাত্র বিবেক চতুর্বেদী জানিয়েছেন, প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ভক্ত মেলায় আসতে পারে বলে তাঁরা আশা করছেন। কুম্ভ মেলা উপলক্ষ্যে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। আলো, পাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে নতুন বাসস্থান। প্রয়ঃনিসষ্কাশন ব্যবস্থাও ঢেলে সাজান হচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, 'এই ইভেন্টটিকে অনন্য করে তোলে তা হল এর ব্যাপকতা এবং এই সত্য যে কাউকে কোনো আমন্ত্রণ পাঠানো হয় না... প্রত্যেকে নিজেরাই আসে, বিশুদ্ধ বিশ্বাসের দ্বারা চালিত হয়'। তিনি আরও বলেছেন, বিশ্বের কোথাও এতবড় মেলা দেখা যায় না।

সৌদি আরবের মক্কায় ১.৪ মিলিয়ন মানুষ হজ যাত্রায় অংশ নেয়। কিন্তু এখানে তার থেকেও বেশি মানুষ আসেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন তীর্থযাত্রী বা ভ্রমণার্থীদের জন্য দেড় লক্ষ টয়লেট তৈরি করা হয়েছে। ৬৮ হাজার এলইডি আলোর খুঁটি তৈরি করা হয়েছে।

কুম্ভমেলার পবিত্রতার কারণ

হিন্দু পুরণা অনুযায়ী কুম্ভস্নান পুণ্যস্থান। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী তিন নদীর সঙ্গমে ডুব দিয়ে স্থান করলে মোক্ষ অর্জন , অর্থাৎ স্বর্গযাত্রা হয়। পুরাণ অনুযায়ী কুম্ভকে কেন্দ্র করেই দেবতা আর অসুরদের যুদ্ধ হয়েছিল। যুদ্ধের সময় কুম্ভ থেকে চারটি ফোঁটা অমৃত পৃথিবীতে পড়ে গিয়েছিল। যার একটি ফোঁটা হয়েছিল প্রায়াগরাজে। বাকি তিন ফোঁটা অমৃত পড়েছিল হরিদ্বার, নাসিক আর উদ্দয়িনে। চারটি শহরই হিন্দুদের কাছে পুণ্য তীর্থ কেন্দ্র।

২০১৯ সালে শেষবার পুণ্যকুম্ভ হয়েছিল। এবার আবার পুণ্যকুম্ভ। আর সেই কারণে তীর্থযাত্রীদের মধ্যে উৎসব বেশি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।