কেটে গিয়েছে পাঁচ দিন। কার্যত ধ্বংসস্তুপের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছে ওড়িশা। সরকারি হিসেবে এ যাবৎ মারা গিয়েছেন ৩৭ জন। প্রশাসন কার্যত ব্যর্থ এত বড় তাণ্ডবের মোকাবিলা করতে। কেন্দ্রাপাড়া , পুরী, ভুবনেশ্বর, জগৎসিংহপুর ইত্যাদি জেলাগুলির ত্রাণ শিবিরে চোখ রাখলেই স্পষ্ট হচ্ছে এই ছবি। ত্রাণ বিলিবন্টন হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে। তবে আশ্রয়হীন মানুষজন বলছেন বক্তব্য ত্রাণের চাল মুখে তোলা যায় না। পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের কাজ এখনও বিশ বাঁও জলে। ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ।  সব মিলিয়ে ফণীর ধাক্কা সামাল দিতে কালঘাম ছুটছে নবীন পট্টনায়কের। 

ইতিমধ্যেই ওড়িশায় গিয়ে ১০০০ কোটি টাকা অর্থ সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।  নিজের গোটা বছরের বেতন দিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নবীন পট্টনায়ক। ত্রান তহবিলে টাকা পাঠিয়েছেন বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার। কিন্‌তু এখনও বাকি পাহাড়প্রমাণ কাজ। বিদ্যুৎহীন হয়ে রয়েছে বেশির ভাগ এলাকা। কেন শুরু করা যাচ্ছে না ত্রাণ দেওয়ার কাজ? 

সংবাদসংস্থার তরফে জানানো হচ্ছে ,  প্রায় দেড় লক্ষ বিদ্যুৎ খুঁটি উপ়ড়ে পড়েছে ফণীর ধাক্কায়। সেই খুঁটি সারাতে প্রয়োজন অন্তত শ্রমিক। কিন্তু সেই শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।  মনে করা হচ্ছে, অন্তত অৰ্ধেক শ্রমিক পাওয়া গেলসে, কিছু ফিডার সারাই করা গেলেও বিদ্যুৎ সংযোগ আনা যাবে  কিছু জায়গায়।            

পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এদিন বন্যাদুর্গত অ়ঞ্চলগুলি ঘুরে দেখেন। এদিকে ফণীর দাপট কাটতে না কাটতেই ভয়াবহ তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে ওড়িশায়। ত্রাণশিবিরে থাকা লক্ষ মানুষ কী ভাবে এই তাপপ্রবাহের সঙ্গে মোকাবিলা করবে, কী ভাবে নতুন জীবনে ফিরে যাবে বলা মুশকিল।

সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী তেলেঙ্গানা থেকে এক হাজার বিদ্যুৎকর্মী যাচ্ছেন খুঁটি মেরামত করে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে সাহায্য করতে।