সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছিল দেশে একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় সাত হাজার ছুঁতে চলেছে। যা ছিলে ভারতে একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় সর্বোচ্চ। মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছু হলেও উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ৬,৫৩৫ জন। ফলে ভারতে বর্তমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৩৮০ তে।

 

 

গত ২৪ ঘণ্টায় মারণ ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে ১৪৬ জনের। ফলে দেশে করোনা সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪,১৬৭। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী করোনা মুক্ত হয়েছেন ৬০ হাজার ৪৯০। ফলে সক্রিয় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০,৭২২। 

পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে গত ১৫ দিনে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৭০ হাজারের বেশি। যেখানে এর আগে করোনা রোগীর সংখ্যা ৬৮ হাজারে পৌঁছতে ১০০ দিন সময় লেগেছিল। গত ২ দিনে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও দিল্লি ৩টি রাজ্যের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা একলাফে ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। 

মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ুতে মাত্র ১২ দিনে সংক্রমণ দ্বিগুণে পৌঁছেছে। ১৪ দিন লেগেছে দিল্লির। আর মাত্র ৭ দিনে বিহারে সংক্রমণ দ্বিগুণ হয়েছে। সংক্রমণ ছড়ানোর হার বিহারেই সবচেয়ে বেশি ১০.৬৭ শতাংশ। সেই তুলনায় উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাতের পরিস্থিতি কিছুটা হলেও উন্নতি হয়েছে। এই দুই রাজ্যেই সংক্রমণের হার দ্বিগুণ হতে ১৮ দিন সময় নিয়েছে। 

গত রবিবারই আক্রান্তের সংখ্যায় ইরাণকে ছাড়িয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্বের প্রথম ১০ করোনা আক্রান্ত দেশের মধ্যে নাম রয়েছে ভারতের। এদিকে গত ১৫ দিনে ভারতের মৃত্যু হারণ দ্বিগুণ হয়েছে। আর গত ২ দিনে মৃত্যু হার বেড়েছে ৮ শতাংশ। এরমধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মহারাষ্ট্রে। দেশের মৃত্যুহারের ৪১ শতাংশ মহারাষ্ট্রে। আর গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লি মিলিয়ে সংখ্যাটা ৮২ শতাংশ। 


এদিকে পরিসংখ্যান বলছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় এখনও দেশের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে মহারাষ্ট্র। রাজ্যটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৫২ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু। এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজারের বেশি। তৃতীয় স্থানে থাকা গুজরাতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজারের বেশি।  আর রাজধানী দিল্লিতে করোনা সংক্রমণের শিকার ১৪ হাজার ৭৩ জন।