মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বিপর্যের আশঙ্কা। বিপদ এড়াতে তাই তড়িঘড়ি তিস্তার পার সংলগ্ন এলাকাগুলি খালি করা হচ্ছে সিকিমে। এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে পর্যটক। বিপদ এড়াতে সবাইকেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে প্রশাসন। 

আবহাওয়া দফতরের সতর্কতা অনুযায়ী, উত্তর সিকিমের চুংথাং এলাকায় তিস্তা নদীর উপরিভাগে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির খবর পাওয়া গিয়েছে। তার জেরে তিস্তার জলস্তর একধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে গিয়ে নদী সংলগ্ন এলাকাগুলি হড়পা বানে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই সিকিমের ডিকচুতে তিস্তার একটি বাঁধের কাছে কর্দমক্ত জল এবং কাঠ ভেসে আসতে দেখা গিয়েছে। যা জলস্তর বেড়ে যাওয়ারই ইঙ্গিত। এর ফলে পূর্ব সিকিমের রংপো এবং সিংতাম এলাকার বাসিন্দাদেরও নদীর কাছে যেতে নিষেধ করেছে পুলিশ। 

টানা বৃষ্টিতে রাস্তা বন্ধ হয়ে ইতিমধ্যেই বহু পর্যটক উত্তর সিকিমে আটকে পড়েছেন। দ্রুত তাঁদেরকে উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং। একই সঙ্গে তিস্তার জলস্তরের উপরেও নজর রাখার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিপর্যয় মোকাবিলায় যাবতীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তিনি। 

সোমবার বিকেলের মধ্যেই জিমা এলাকা থেকে প্রায় তিনশোজন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়। মেঘ ভাঙার বৃষ্টির জেরেই ২০১৩ সালে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছিল উত্তরাখণ্ডে। এবার তাই আগাম সতর্ক হয়ে ক্ষয়ক্ষতি যথাসম্ভব কমাতে উদ্যোগী সিকিম সরকার।