পুলিশের বিরুদ্ধেই এবার ছিনতাইয়ের অভিযোগ। আবারও অভিযুক্ত সেই যোগী আদিত্যনাথের উত্তর প্রদেশ পুলিশ। এবারে অভিযোগ, নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে বসা শিশু এবং মহিলাদের থেকে কম্বল এবং খাদ্য সামগ্রী কেড়ে নিয়েছে পুলিশ। অভিযোগের সমর্থনে বেশ কয়েকটি ভিডিও সামনে এসেছে। যদিও ভিডিও-গুলির সত্যতা যাচাই করেনি এশিয়ানেট নিউজ বাংলা। 

একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দিল্লির শাহিনবাগের মতোই লখনউয়ের ঘণ্টা ঘর এলাকায় নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেন প্রায় পাঁচশো মহিলা এবং শিশু।  নাগরিকত্ব আইনের পাশাপাশি এনআরসি-র প্রতিবাদেও বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তাঁরা। 

অভিযোগ, শনিবার সন্ধ্যায় আচমকাই সেখানে হানা দেয় উত্তরপ্রদেশ পুলিশের একটি দল। শীতের মধ্যে বিক্ষোভ চলার কারণে মহিলা এবং শিশুদের গায়ে দেওয়ার জন্য কম্বল এনে রাখা হয়েছিল। রাখা ছিল খাদ্য সামগ্রীও। অভিযোগ, সেই সমস্ত কম্বল এবং খাবারের প্যাকেট তুলে নিয়ে যেতে শুরু করেন পুলিশকর্মীরা। 

 

 

পুলিশের এই পদক্ষেপে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের মধ্যেই হইচই শুরু হয়। যদিও বিক্ষোভকারীদের আপত্তি এবং কটাক্ষকের অগ্রাহ্য করেই খাবার এবং কম্বল গাড়িতে তুলতে থাকেন পুলিশকর্মীরা। বেশ কয়েকজন প্রতিবাদী মহিলাকে 'উত্তরপ্রদেশের পুলিশ চোর' বলে চিৎকার করতেও শোনা যায়। 

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর উত্তাল হয়ে ওঠে উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন অংশ। পুলিশের পাল্টা গুলিতে প্রাণ হারান অন্তত ১৬ জন বিক্ষোভকারী প্রাণ হারিয়েছেন। এমন পদক্ষেপের জন্য দেশজুড়ে সমালোচনা হলেও কড়া অবস্থান থেকে সরে আসেনি উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। তবে শনিবার যেভাবে পুলিশকর্মীরাই শীতের রাতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের মাঝে মহিলা এবং শিশুদের জন্য বরাদ্দ কম্বল, খাবার তুলে নিয়ে গিয়েছেন, তাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠেছে।