এক দুই দিন নয়, বেশ কয়েকদিন হয়ে গেল হোয়াই হাউস আনফলো করে দিয়েছে মোদীর টুইটার অ্যাকাউন্ট। একই সঙ্গে আনফলো করে দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের টুইটার অ্যাকাউন্টও। এখানেই থেমে থাকেনি হোয়াইট হাউস। মার্কিন রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন থেকে আনফলো করে দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর সরকারি টুইটার অ্যাকাউন্টও। কিন্তু কেন? এখনও পর্যন্ত সেই প্রশ্নের কোনও উত্তর দেয়নি মার্কিন প্রশাসন। 

বিশ্ব নেতৃত্বের মধ্যে ভারতের  মোদী ও কোবিন্দ--এই দুই ভারতীয় নেতার টুইটার হ্যান্ডেল ফলো করত হোয়াইট হাউস। একটি সূত্র বলছে গত ১০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্যক্তিগত টুইটার হ্যান্ডেল ফলো করেছিলেন হোয়াইট হাউসের আধিকারিকরা। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের টুইটার অ্যাকাউন্টও ফলো করা হয়েছিল। একটা সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বাসভবন থেকে ১৯টি টুইটার হ্যান্ডেল অনুসরণ করত যেগুলির সঙ্গে ভারতের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। ফলোয়ারের সংখ্যা ছিল ২১ মিলিয়নের বেশি। তবে বর্তমানে মাত্র ১৩টি অ্যাকাউন্ট অনুসরণ  করা হয়। ফলোয়ারের সংখ্য অনেকটাই কম। তবে এখনও হোয়াইট হাউস ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাস ও নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসের টুইটার অ্যাকাউন্স অনুসরণ করে। 

কিন্তু কেন? এই প্রশ্নের এখনও কোনও উত্তর দিতে পারেননি বিশেষজ্ঞরা। কারণ হাইড্রোক্লোক্সিসকুইনিন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংঘাতে গেলেও ভারত পুরোপুরি এড়িয়ে গিয়েছিল সেই পথ।  করোনা সংকটের এই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিরাশ করেননি মোদী। পাঠিয়ে দিয়েছিলেন প্রয়োজনীয় ওষুধ। তারপরে ওষুধ পাওয়ার পর ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ভারতীয়দেরও ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। রাজনৈতির বিশেষজ্ঞরা মনে করেছিল সংঘাতে ইতি পড়েছে। কিন্তু হোয়াইট হাইসের এই আতরণ আবারও জল্পনা উস্কে দিচ্ছে। ট্রাম্প ও মোদীর বন্ধুত্বে কি চিড় ধরেছে? কিন্তু কেন- এই দুটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।