বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে ভারত ও প্রতিবেশী দেশগুলিতে। ইতিমধ্যে এদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৩১ হাজার ছাড়িয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের একেবারে শুরুতে বঙ্গোপসাগরে হাজির হতে পারে এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। তবে ঘূর্ণিঝড়টি কতটা শক্তিশালী হবে বা কোথায় আছড়ে পড়বে; তা জানা যায়নি।

তবে জানা যাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে যাওয়া এই ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব থাকবে ৩০ এপ্রিল থেকে ৫ মের মধ্যে। ২ মে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আর সেটি হলে এর আগাম নাম ঠিক করা আছে ‘আম্ফান’। ২০০৪ সালে যার নাম রেখেছিল থাইল্যান্ড। তবে সেই নামের তালিকা শেষের মুখে। তাই আগামীদিনে ঝড়গুলির নামের তালিকা এবার প্রকাশ করল ভারতের আবহাওয়া দফতর।

ছবিতে দেখুন: অফুরন্ত পানীয় থেকে সুন্দরী তরুণী, দেখে নিন কিম জং উনের বিলাসবহুল ট্রেনের অন্দর

সারা বিশ্বে ৬টি রিজিওনাল স্পেশালাইজড মেটিওরলজিকাল সেন্টার এবং ৫টি রিজিওনাল ট্রপিকাল সাইক্লোন ওয়ার্নিং সেন্টার রেছে। এখান থেকেই সময়ে সময়ে ট্রপিকাল সাইক্লোনের নাম এবং সেই সংক্রান্তে নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়। তার মধ্যে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর  মোট ১৩টি সদস্য দেশকে ট্রপিকাল সাইক্লোন এবং আসন্ন ঝড় সংক্রান্ত সব তথ্য দিয়ে থাকে। ভারত ছাড়াও এই দেশগুলি হল  বাংলাদেশ, ইরান, মলদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, আরব আমিরশাহি এবং ইয়েমেন।

ছবিতে দেখুন: লকডাউনের মধ্যেই খুলল কেদারনাথের দরজা, দর্শন করুন বাবার দিব্যরূপ

আগামীদিনে এই ১৩টি দেশে যে সব ঘূর্নিঝড় আসতে পারে তার নাম আগে থেকেই ঠিক করে রাখল ভারতীয় আবহাওয়া দফতর। প্রত্যেক দেশের জন্য মোট ১৩টি করে নাম ঠিক করা হয়েছে। অর্থাত্‍  আরব সাগর, ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগরের উপর ঘনীভূত মোট ১৬৯ টি ট্রপিকাল সাইক্লোনের  নাম প্রকাশ করেছে আইএমডি।

ভারতের জন্যে বরাদ্দ করা ঘূর্ণঝড়ের নামগুলি হল গতি, তেজ, মুরাসু, আগ, ব্যোম, ঝড়, প্রবাহ, নীর, প্রভঞ্জন, ঘূর্ণি, অম্বুদ, জলধি এবং ভেগা। আর বাংলাদেশের জন্যে বরাদ্দ নামের তালিকায় রয়েছে নিসর্গ, বিপর্যয়, অর্ণব এবং উপকূল।