প্রায় ১৯ দিনের অন্তর্ধানের পর শনিবারই প্রকাশ্যে এসেছিলেন কিম জং উন। কিন্তু তারপরে ২৪ ঘণ্টায়ও কাটল না। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া সীমানে শুরু হয়ে গেছে গুলির লড়াই।  সিওলের সামরিক বাহিনীর এক কর্তা  জানাচ্ছে সীমান্তবর্তী চেওরনের একটি সেনা চৌকি লক্ষ্য করেই আগ্নেয়াস্ত্র ছুঁড়েছিল উত্তর কোরিয়ার সেনারা। এই ঘটনা খুবই দুর্ভাগ্যজনক বলেও দাবি করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেয় এই ঘটনাকে দুর্ঘটনা বলেই মন্তব্য করেছেন। যদিও তা মানতে নারাজ সিওল, প্রতিপক্ষ পিয়ংইয়ং-এর দিকেই অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে। 

উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার গুলির লড়াইয়ে এখনও পর্যন্ত কেউ আহত হননি। রাষ্ট্র প্রধান কিম ফিরে আসার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই গুলির লড়াই অন্য বার্তা বহন করে বলেও দাবি করা হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে। সূত্রের খবর কিম প্রকাশ্যে আসার পরই সেনা বাহিনীকে আবারও সক্রিয় করছে পিয়ংইয়ং। তবে এখনও পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেনি কিম জং উনের প্রশাসন। 

তবে কিমকে নিয়ে ইতিমধ্যেই অন্য দাবি করতে শুরু করেছে সিওল। দক্ষিণ কোরিয়ার দাবি কিমের কোনও অরাপচার হয়নি। তাঁর কোনও রকম অসুস্থতা ছিল না বলেও দাবি করা হয়েছে। এতদিন দক্ষিণ কোরিয়া প্রশাসন সরাসরি কিছু না জানালেও প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত অনেক কর্তা ব্যক্তি দাবি করেছিলেন কিম রীতিমত অসুস্থ। কয়েক ধাপ এগিয়ে এক জনপ্রতিনিধি কিমের মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন। কিন্তু সেই সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে শুক্রবারই দেশের একটি সার কারখানার উদ্বোধনে হাজির হয়েছিলেন কিম। রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম কিমের হাসি মুখের একটি ভিডিও প্রচার করার পরই পিছু হটতে শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া প্রশাসন।  তবে কিম ফিরে আসায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।