চিনের প্রশাসনিক আধিকারিকরা কার্যত বাসিন্দাদের বাড়িতে আটকে রেখেছেন। আর বাসিন্দাদের বাড়ির বাইরে বেরোতে না দেওয়ার জন্য তারা প্রতিটি বাড়িতে বসাচ্ছেন লোহার বেড়া।

চিনে ক্রমশ বাড়ছে করোনার ডেল্টা ভেরিয়েন্টের (Delta variant case) প্রকোপ। আর তা রুখতেই আজব পদক্ষেপ নিয়েছে চিন সরকার। চিনের প্রশাসনিক আধিকারিকরা (Chinese officials) কার্যত বাসিন্দাদের বাড়িতে আটকে রেখেছেন। আর বাসিন্দাদের বাড়ির বাইরে বেরোতে না দেওয়ার জন্য তারা প্রতিটি বাড়িতে বসাচ্ছেন লোহার বেড়া। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও, ঠিক এই কাজটাই করা হচ্ছে চিনের একাধিক প্রদেশে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়াল ছেয়ে গিয়েছে এই ঘটনার নানা ভিডিওতে। তাইওয়ান নিউজে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী উহানে এই ভেরিয়েন্টের প্রকোপ শুরু হয়েছে। সাংবাদিক কেওনি এভারিংটন জানান প্রতি বাড়ির সদর দরজায় বসানো হচ্ছে লোহার বেড়া বা রড, যাতে সেটা টপকে কেউ বাড়ির বাইরে বেরোতে না পারেন। 

Scroll to load tweet…

সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গিয়েছে চিনের এই আজব কান্ড কারকানায়। এভাবে আদৌ করোনা আটকানো যাবে কীনা, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ওয়েইবো, টুইটার এবং ইউটিউবে একাধিক ভিডিও পোস্ট হতে শুরু করেছে, যেখানে দেখা যায় যে হজমাট স্যুটে প্রশাসনিক কর্মীরা বাড়ির বারান্দা থেকে বাড়ির দরজায় লাগিয়ে রেখেছে লোহার বেড়া। 

টুইটার পোস্টে বলা হচ্ছে এমন নিয়ম করা হয়েছে, যাতে এই লোহার বেড়া স্বয়ংক্রিয় ভাবে লক হয়ে যাবে। যদি কোনও বাড়ির বাসিন্দা দিনে ৩ বারের বেশি দরজা খোলেন, তবে এই বেড়া লক হয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে। দেখা গিয়েছে পিপিই কিট পরিহিত বেশ কয়েকজন প্রশাসনিক কর্তা হাতুড়ি দিয়ে লোহার বেড়া আটকাচ্ছেন। 

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের জন্য উপহার, এল ১০ কোটি টাকার মার্সিডিজ গাড়ি

সতীত্ব পরীক্ষায় পাশ করে তবেই যোগ সেনাবাহিনীতে, মহিলা জওয়ানদের জন্য বিতর্কিত নিয়ম বাতিল

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এসবিআই সহ কয়েকটি ব্যাংকের লক্ষাধিক অ্যাকাউন্ট, আপনারটি এই তালিকায় নেই

উল্লেখ্য, চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন ৯ই অগাষ্ট ১৭টি প্রদেশে নতুন করে ১৪৩টি করোনা আক্রান্তের সন্ধান পেয়েছে। যা ২০ জানুয়ারির পর সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে ৩৫ টি বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছিল এবং ১০৮ টি স্থানীয় সংক্রমণ ছিল, যার মধ্যে জিয়াংসু প্রদেশে ৫০টি, হেনান প্রদেশে ৩৭টি, হুবেই প্রদেশে ১৫টি এবং হুনান প্রদেশে ছয়টি ছিল। এছাড়াও, জিয়াংসু কমিশন অফ হেলথ নানজিং সিটিতে দুটি এবং ইয়াংঝো সিটিতে ৪৮ জনের সংক্রমণের খবর পেয়েছে।