ভারত থেকে মাছ আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল চিন। আগামী এক সপ্তাহের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে বলেও জানিয়েছে বেজিং। আগামী দিনে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হয়ে বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে শি জিংপিং প্রশাসন। তেমনই জানিয়েছে সূত্র। কিন্তু কেন মাছ আমদানির ওপর আচমকা এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল ? 

ভারত থেকে রফতানি হওয়া একটি সংস্থার মাছের ওপরেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। চিনা কাস্টমস অফিস থেকে জানান হয়েছেন সংশ্লিষ্ট সংস্থার ফ্রোজেন কাটল ফিসের প্যাকেটের বাইরে থেকে করোনাভাইরাসের নমুনা পাওয়া গেছে। তিনটি নমুনায় জানা গেছে প্যাকেটের বাইরে করোনাভাইরাসের জীবাণু রয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত। বসু ইন্টারন্যাশানাল নামের সংশ্লিষ্ট সংস্থার আমদানির ওপর যে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে তা পুরণরায় এক সপ্তাহ পরে চালু হবে। 

এবছর সেপ্টেম্বর মাসে চিন একটি বিদেশ থেকে আমদানি করা ফ্রোজেন খাবারের প্যাকেটের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করেছিল। তাতে দেখা গিয়েছিলেন অধিকাংশ ফ্রোজেন খাবারের প্যাকেটে করোনার জীবানুর মজুত রয়েছে। তারপর থেকেই ফ্রোজেন খাবারের প্যাকেটগুলি পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিন। একটি বিদেশী  সংস্থাকে আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার হুমকিও দিয়েছিল বেজিং। চিনের তরফে বলা হয়েছে পরপর তিনবার যদি কোনও সংস্থার ফ্রোজেন প্যাকেটে করোনার জীবাণুর অস্বিস্ত পাওয়া যায় তাহলে সেই সংস্থার ওপর চার বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে। তবে খাবারের প্যাকেটে কতটা পরিমাণে করোনার জীবাণু ছিল, সেগুলি জীবিত ছিল না মৃত তা নিয়ে মুখ খোলেনি চিন।