প্রবল ঘূর্নিঝড় হাগিবিসের প্রভাবে টোকিও ও তার উত্তর পূর্ব অঞ্চল লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। জাপানের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভূমিধস ও বন্যার খবর আসতে শুরু করেছে। ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার বেগে টাইফুন আছড়ে পড়ার পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০। যদিও বেসরকারি মতে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দুই শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন ১৬ জন। 
 
জাপানের কমপক্ষে ১৪টা জায়গায় বাঁধ ভাঙার খবর পাওয়া গিয়েছে। হাগিবিসের প্রভাবে ইতিমধ্যে জাপানের আট শতাধিক বিমান বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।  বুলেট ট্রেন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরে আশ্রয়ের জন্য প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষ আবেদন করেছেন, তবে প্রাথমিকভাবে মাত্র ৫০ হাজার জনকে আশ্রয় দেওয়া সম্ভব হয়েছে। প্রায় ত্রিশ লক্ষ মানুষ শনিবার থেকে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন। সামরিক হেলিকপ্টারের উদ্ধারের কাজ শুরু করে দিয়েছে জাপানের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। 

 রবিবার সকালে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ব্যাপক বৃষ্টিপাতের জন্য লেভেল-পাঁচের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, তা ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে টোকিও, গুন্মা, সায়তামা, কানাগাওয়া ইয়ামানশি, নাগানো-সহ বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে বলে জাপানের আবহাওয়া দপ্তর আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।