করোনাভারইসের সংক্রমণের কারণে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার অনেকটাই কমে গেছে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে দেশের অর্থনীতিকে জাগিয়ে তুলতে আত্ম নির্ভর ভারত গঠনের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যার মূল্য লক্ষ্যই দেশীয় পণ্যের  উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া। পাশাপাশি বিদেশের বাজারেও যাতে ভারতীয় পণ্যের চাহিদা বাড়ে সেই দিকে গুরুত্ব দেওয়া। অনেকটা সেই কায়দায়ে দেশের অর্থনীতিতে জাগিয়ে তুলতে চাইছেন উত্তর কোরিয়ার স্বৈরচারী শাসক কিম জং উন। 

উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাশীন দল ওয়ার্কার পার্টির দলীয় বৈঠকে কিম দেশের অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী করার আহ্বান জানিয়েছে। করোনাভাইরাস কারণে দেশটির মধ্যে আর্থিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আর সেই উদ্বেগ কাটিয়ে উঠেতে দশীয় পণ্য উৎপাদনেই বেশি জোর দিয়েছেন বলে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে। 


১৩ তম পলিট ব্যুরোর বৈঠকে দেশের স্বনির্ভর অর্থনীতির বিকাশ আর দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের দিকেই নাকি সব থেকে বেশি জোর দিয়েছেন কিম। দেশীয় প্রযুক্তিতে সার উৎপাদনের ক্ষমতা বাড়ানোর ওপরই আগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন জাতীয় অর্থনীতি জাগিয়ে তুলতে এই সার কারখানা বিশেষ ভূমিকা নেবে বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। তবে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের পারমানবিক কর্মসূচি বন্ধ রাখতে হয়েছে যা নিয়ে রীতিমত বিরক্ত প্রকাশ করেছেন তিনি। 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে রীতিমত কড়াপদক্ষেপ নিয়েছে উত্তর কোরিয়া। প্রশাসনের তরফে জানান হয়েছে দেশে এখন আর কোনও আক্রান্ত ব্যক্তি নেই। তবে উত্তর কোরিয়ার এই দাবি মানতে নারাজ দক্ষিণ কোরিয়া। গোয়েন্দা সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে করোনা প্রাদুর্ভাবের বিষয়টি অস্বীকার করা যায় না। 

এই করোনা সংক্রমণের মধ্যেই বেশ কয়েক সপ্তাহ দেখা পাওয়ায় যাননি কিম জং উনের। সেই সময় রটে গিয়েছিল হৃদরোগ জনিত কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমত তোলপাড় শুরু হয়েযায়। কিন্তু বেশ কয়েক সপ্তাহ পর দেশের সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন সার কারখানার উদ্বোধনে হাজির হয়ে রীতিমত চমক লাগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।