এবার আর কাটা বা জবাই করা মাংস নয়। এবার সিঙ্গাপুরবাসীর পাতে পড়বে পরীক্ষাগারে তৈরি করা কৃত্রিম মুরগির মাংস। মার্কিন সংস্থা ইট জাস্ট ইনকে তাদের পরীক্ষাগারে তৈরি মাংস বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে সিঙ্গাপুর সরকার। আর এই অনুমোদন দেওয়ার ফলেই সিঙ্গাপুর বিশ্বের প্রথম দেশে পরিণত হয়েছে, যেখানে পরীক্ষাগারে তৈরি মাংস বিক্রি করা যায়। 

এই মাংসর বিশেষত্ব হল, জবাই বা কাটা ছাড়াই পাওয়া যাবে । পশুর কোষ থেকে এজাতীয় মাংস তৈরি করা হয়। সিঙ্গাপুরের গুড মিট ব্র্যান্ডের অধীনে একটি রেস্তোঁরায় এটি পাওয়া যাচ্ছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে এই মাংস খেলে কোনও ক্ষতি হয় না। প্রাণীর কোষ থেকেই এজাতীয় মাংস তৈরি করা হয়েছে বলেও জানান হয়েছে। প্রথম দফায় নাগেট হিসেবে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিটি প্যাকেটের দাম ধার্য করা হয়েছে ৫০ ডলার। 

৫ রাজ্যে কমেছে সংক্রমণ, করোনাভাইরাসে দৈনিক গড়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি ...

দেশের সবাইকে করোনা টিকা নয়, জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব, পাশে দাঁড়াল ICMR ...
মাংসের চাহিদা ক্রমশই বাড়ছে। যা নিয়ে কিছুটা হলেও উদ্বেগ বাড়ছে  স্বাস্থ্য প্র্রাণী কল্যাণ ও পরিবেশ প্রেমীদের মধ্যে। অনেকেই বিকল্প মাংসের খোঁজে সন্ধান চালাচ্ছিলেন। বিয়ন্ড মিট ও ইম্পসিবল ফুডস নামের সংস্থাটির উদ্ভিদভিত্তিক মাংসের চাহিদা প্রবল। আর থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে পশুর কোষ থেকে মাংস তৈরির পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে একটি সুস্থ ও পরিষ্কার প্রাণীর বাইরের কোষ থেকে এই মাংস তৈরি করা হচ্ছে। এটি এখন প্রাথমিক পর্যায়ের রয়েছে। 

সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে এজাতীয় মাংস তৈরির খরচ কিছুটা হলেও হ্রাস পেয়েছে। পরীক্ষাগারে তৈরি মাংসের দাম প্রিয়িমাম মুরগির প্রায় সমতুল্য হবে। আর খুব তাড়াতাড়ি সিঙ্গাপুরের আরও কয়েকটি রেস্তোঁরায় এজাতীয় মাংস বিক্রি করার পরিকল্পনা রয়েছে।২০২১ সালের মধ্যে এজাতীয় মাংস বিক্রি থেকে লাভের আশা করছে সংস্থাটি। বিশ্বের প্রায় ২৪টি সংস্থা বিকল্প মাংসের বাজার তৈরির প্রস্তুতি শুরু করেছে। পরীক্ষাগারে মাছ, মুরগি ও গরুর মাংস তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। ২০২৯ সালের মধ্যেই এই জাতীয় মাংসের কেনাবেচা ১৪০ বিলিয়ন ডলার ছাপিয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।