থাইল্যান্ডের দরজা খুলে যাচ্ছে বিদেশী পর্যটকদের কাছে। তবে সেই সঙ্গে কিছু শর্তও চাপান হয়েছে। এবার আপনি যদি থাইল্যান্ডে যান তবে হাতে নুন্যতম ৩০ দিন সময় নিয়ে যেতে হবে। তার কারণ এবার থেকে থাইল্যান্ড সরকার আরও বেশি দিনের অনুমতি দিচ্ছে।  আপনি যদি থাইল্যান্ডে বেড়াতে যান তাহলে আপনাকে ৩০ দিন থাকতেই হবে সেই দেশে। আগামী আক্টোবর থেকে এই নীতি কার্যকর হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন থাইল্যান্ড প্রশাসনের এক আধিকারিক। 


থাইল্যান্ডের প্রধান সুপাসর্ন জানিয়েছেন তাঁদের দেশে আসা পর্যটকদের কমপক্ষে ৩০ দিন থাকতে হবে। প্রথম ১৪ দিন বিদেশ থেকে আসা পর্যটকদের থাকতে হবে আইসোলেশনে। তারপরের ১৪ দিন তাঁরা দেশের ভ্রমণের অনুমতি পাবেন। 

আগামী পয়লা অক্টোবর থেকেই বিদেশী পর্যটকদের জন্য থাইল্যান্ডের দরজা খুলে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে দেশটির প্রধান। থাইল্যান্ডের পর্যটনমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরই দর্শনার্থীরা দ্বীপরাষ্ট্র ভ্রমণের অনুমতি পাবেন। তবে প্রত্যেক দর্শনার্থীদের দুবার করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করাতে হবে। তবে বেশ কয়েকটি জায়গায় ভ্রমণের ওপর বিধিনিষেধ চাপান হয়েছে। কোনও কোনও এলাকা ভ্রমণের আগেও পরীক্ষা করা হতে পারে করোনাভাইরাসের নমুনা।

 

মূলত পর্যটন শিল্প নির্ভর এই দেশটি। কিন্তু এশিয়ায় করোনাভাইরাসের ক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় পর্যটকদের আনাগোনা বন্ধ করে দিয়েছিল স্থানীয় প্রশাসন। অন্যান্য দেশগুলির সঙ্গে ট্রাভেস বাবলস পরিকল্পনা বন্ধ রাখা হয়। এখনও পর্যন্ত এই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩০০কিছু বেশি। তবে গত তিন মাস নতুন করে কোনও মানুষেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে দেশটি আবারও সাধারণ জীবনে ফিরতে চাইছে। আর সেই কারণে পর্যটন পরিষেবা চালু করার চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। তবে সেক্ষেত্র রীতিমত সাবধানতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলেই জানিয়েছে থাইল্যান্ড প্রশাসন।