কোটি কোটিপতি এলন মাস্ককও রেহান পেলেন না করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে। গতসপ্তাহের শনিবার তিনি জানিয়েছিলেন তাঁর জ্বর রয়েছে। অসুস্থতাও বোধ করছেন তিনি। তারপরই করোনাভাইরাসের জন্য পরীক্ষা করান এলন মাস্ক। আর তারপরেই জানা যায় বিশ্ব তৃতীয় ধনী ব্যক্তি এলন মাস্কও পড়েছে মহামারির কবলে। চলতি বছর শুরুতে ধনী ব্যক্তিদের  তালিকায় তাঁর স্থান ছিল ৩৭। কিন্তু মহামারিতে যখন বিশ্ব অর্থনীতি ধুঁকছে তখনই ফুলেফেঁপে উঠেছে মাস্কের ধনভান্ডার। বছর শেষের আগেই ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তৃতীয় স্থান দখল করে নিয়েছেন তিনি। 

রবিবার রাতে কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে রওনা দিয়েছে এলন মাস্কের সংস্থা স্পেসএক্সের ফ্যালকন রকেট। যার মাথায় ড্রাগন ক্যাপসুলে রয়েছে চার যাত্রী। ২৭ ঘণ্টার এই যাত্রা শেষ হবে আন্তর্জাতিক স্পেস সেন্টারে। কিন্তু সেই সময় থেকেই তাঁর শরীকে দানা বেঁধেছিল করোনার জীবাণু। আর সেই কারণেই তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। কিন্তু গত মাসে তাঁর সংস্থার রকেট যখন মার্কিনি নভঃশ্চরদের মহাকাশে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিল তখনই কেনেডি স্পেসসেন্টারে উপস্থিত ছিলেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া ধর্মীয় নেতাদের, আত্মনির্ভর ভারত অভিযান নিয়ে কী মন্তব্য করলেন তাঁরা ...

কোনও প্রতিষেধকই পারবে না করোনা মহামারি রুখতে, আশঙ্কা জাগিয়ে বললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ..

তবে এলন মাস্ক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি শেয়ার বাজারে। তাঁর সংস্থা স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ার উর্দ্ধমুখী। সোমবার মাস্কের বৈদ্যতিন গাড়ি টেসলা বিশ্বের প্রথমসারির শেয়ারবাজার এসঅ্যাস্টপিতে ৫০০ সূচক থেকে বাজারে যোদ দিয়েছে। নিউইয়র্কের একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী টেসলার শেয়ার ১৪ শতাংশ বেড়েছে। মাস্কের সম্পদ ১১৭.৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। আর সেই কারণেই উদ্যোক্তারা ২০ শতাংশ অংশীদার রয়েছে। মহামারির এই বছরে এলম মাস্কের সম্পদ ৯০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০০। তবে  বছর শুরুর দিকে যথেষ্টই লোকসানের মুখ দেখে হয়েছিল তাঁকে। চিন ও আমেরিকার মধ্যে শুল্ক বিবাদের কারণে ৮ শতাংশেরও বেশি লোকসানের মুখ দেখতে হয়েছিল তাঁকে।