এই নতুন শহরে থাকবে না একটাও প্লাস্টিক, যানবাহন চলবে বিদ্যুতে, শধুমাত্র ডিজিটাল মুদ্রার ব্যবহার হবে

ভুটান বিশ্বের অন্যতম সুখী দেশ। এইদেশের মানুষকে অত্যন্ত খুশী বলে মনে করা হয়। হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই দেশ। বিশ্বের প্রথম মাইন্ডফুলনেস ও কার্বন নেগেটিভ সিটি তৈরি হচ্ছে ভুটানে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ভুটানেরএই শহরটি সিঙ্গাপুরের চেয়ে তিনগুণ বড় হবে। শহরটিতে সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে সুখ ও সবুজের দিকে। মেট্রো শহরগুলি উন্নয়নের নামে বিশাল কার্বন পদচিহ্ন রেখে চলেছে, এই শহরটি পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ করে একটি সুখী জীবনের সংজ্ঞা দেবে। এই শহর হবে বৌদ্ধ নীতির ভিত্তিতে।

৮.৬৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচ হবে এই শহর তৈরি করতে। ৩৫টি ছোট-বড় নদী, জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য ও ধানক্ষেত থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাড়িটির নকশাই হবে এ শহরের পরিচয়। পুরও শহরকে কাঠের সেতু দিয়ে সংযুক্ত করা হবে।

এই শহরে কোনও বিশাল উচ্চতাযুক্ত ভবন বা ফ্ল্যাট থাকবে না। প্লাস্টিকও ব্যবহার করা হবে না। এই শহরে আপনি বৈদ্যুতিক যানবাহনের মাধ্যমে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারেন। এসবই ঘটছে ভুটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিতে। শহরটি প্রায় ৮.৬৫ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় করবে। এই অঙ্ক ভুটানের জিডিপির ৩০ গুণ।

এতে এক কোটি মানুষ বসবাস করতে পারবে। প্রথম ৬-৭ বছরে দেড় লক্ষ মানুষ এই শহরে বসতি স্থাপন করবে। ২০ বছরে এই শহর পুরোপুরি শেষ হলে এখানে ১০ লক্ষ মানুষের বসবাস শুরু হবে। শহরটির নিজস্ব ব্যাংক এবং নিজস্ব ডিজিটাল মুদ্রা থাকবে।

এই শহর হবে সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এই শহরে এশিয়ার প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল রিজার্ভ ব্যাংক 'ওআরও' থাকবে। শহরের ডিজিটাল মুদ্রার নাম হবে দ্য টের। এই শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে। খাদ্য ও পানীয় হবে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ ও জৈব। এই শহরে সাইকেল চালানোকে উৎসাহিত করা হবে, যাতে মানুষ সুস্থ থাকে। যে কোনও দেশ এ খাতে বিনিয়োগ করতে পারে। এই শহরে এআই সংস্থাগুলির প্রচার করা হবে।