• মহম্মদ সিরাজ, যজুবেন্দ্র চাহালদের বোলিংয়ের বিরুদ্ধে কেকেআর নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৮৪ রানে বন্দি হয়। যা আইপিএলের ইতিহাসে সর্বনিম্ন স্কোরগুলির তালিকার মধ্যে জায়গা করে নিল ১৬ নম্বরে। ৪৯ রান হাঁকিয়ে সবচেয়ে কম স্কোরে আউট হওয়ার নজির এখনো আরসিবির। ২০১৭ সালে ইডেনে কেকেআরের বিরুদ্ধেই বিরাটের দল লজ্জার নজির গড়েছিল।
  • বুধবার আরসিবির বিরুদ্ধে এই স্কোর, কেকেআরের সর্বনিম্ন স্কোরের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে। অতীতে ২০০৮ আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৬৭ রানে অলআউট হয়েছিল কেকেআর। আইপিএলের ইতিহাসে সেটাই এখনও পর্যন্ত নাইটদের সবথেকে বাজে ব্যাটিং পারফরম্যান্স।
  • আইপিএল ২০২০তে এখনও পর্যন্ত পাওয়ার প্লে-এর মধ্যে সবচেয়ে কম রান হাঁকানোর লজ্জার রেকর্ড গড়ল কেকেআর। এদিনের ম্যাচে নাইটরা পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৭ রান হাঁকায়।
  •  আরসিবির বিরুদ্ধে এদিন আবু ধাবিতে ১৫ তম ওভারে কেকেআর ৫০ রানের গণ্ডি পেরোয়। আইপিএলের ইতিহাসে যা সবচেয়ে বেশি সময় নিয়ে ৫০ রানের গণ্ডি পার করার লজ্জার নজির। এর আগে, ২০০৯ সালে সাউথ আফ্রিকাতে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৫০ করতে কিংস ইলেভন পঞ্জাব ১৩.১ ওভার নিয়েছিল। পাঞ্জাবের সেই লজ্জার রেকর্ডও আজ ভেঙে দিল নাইটরা।
  • ২০ ওভার ব্যাট করাতেও লজ্জার রেকর্ড গড়ল কেকেআর। এতদিন ম্যাচে নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাট করার পর আইপিএলের ইতিহাসে সবথেকে কম রানের লজ্জাজনক রেকর্ডটি ছিল সেই কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের দখলে। ২০০৯ সালে ডারবানে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২০ ওভারে আট উইকেটে ৯২ রান করেছিল পাঞ্জাব। সেই রেকর্ড টপকে এদিন কেকেআর ২০ ওভার ব্যাট করে আরসিবির বিরুদ্ধে ৮৪ রান করে।
  • চলতি আইপিএল ১৩ তে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে কম রান হাঁকানোর লজ্জার কীর্তি কেকেআরের। এর আগে চলতি আইপিএলে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে আরসিবি ১১২ ,সবচেয়ে কম রান করেছিল। এদিন আরসিবির বিরুদ্ধে ৮৪ রান হাঁকিয়ে সেই রেকর্ড টপকে নতুন লজ্জার নজির কলকাতার।
  • ব্যাটিং অর্ডার নির্বাচন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে নাইট শিবিরের অন্দরে। এদিন রাসেলের বদলে টম ব্যান্টনকে নেওয়ার পর ইংল্যান্ডের হয়ে বিধ্বংসী ব্যাটিং করা ওপেনারকে কেন তার স্বাভাবিক জায়গায় ব্যবহার করা হল না ,সেই নিয়ে ইতিমধ্যে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন।
  • লেগ স্পিনারের বিরুদ্ধে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে ব্যর্থ প্রাক্তন নাইট অধিনায়ক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ সময় ধরে খেলার পরও এখনও লেগ স্পিনারদের বিরুদ্ধে অস্বস্তিতে ভোগেন কার্তিক। কখনও রাহুল চাহার, কখনও রশিদ খান, কখনও যুজবেন্দ্র চাহালের মতো লেগ স্পিনারদের নিয়মিত উইকেট দিয়ে আসছেন। এদিনও তার ব্যতিক্রম হলোনা। 
  • শুরুতে উইকেটের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও পাওয়ার প্লেতে বোলিং করেননি লকি ফার্গুসন। এদিন মাত্র ৮৪ রানের পুঁজি নিয়ে লড়াইয়ে নেমে কেন শুরু থেকে ফর্মে থাকা এই মুহূর্তে কেকেআরের সেরা বোলারকে ফিঞ্চ-পড়িক্কলের বিরুদ্ধে এগিয়ে দিলেন না মরগ্যান, সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
  • গতদিনের মতো কালও কেকেআরের প্রধান পারফর্মার লকি ফার্গুসন। বোলিংয়ে এসেই প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই যদিও আরসিবি ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চকে আউট করেন ফার্গুসন। তার থ্রোতেই রান আউট হন দেবদত্ত। ব্যাট হাতেও নাইটদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন ১০০ এর ওপরের স্ট্রাইক রেটে।