টস ভাগ্য-
গত ম্যাচে টসে হারলেও গতকালের ম্যাচে টস জেতেন স্টিভ স্মিথ। জিতে শারজার পাটা উইকেটে চেজ করার সিদ্ধান্ত জানাতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি তিনি। 

মায়াঙ্ক-রাহুল জুটি-
মায়াঙ্ক আগারওয়াল ও লোকেশ রাহুলের ওপেনিং জুটিতে তারা ১৮৩ রান হাঁকান। ২০২০ আইপিএলে এটাই এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ। সেই সঙ্গে আইপিএলের ইতিহাসে এই পার্টনারশিপ। আইপিএলের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ। 

দুর্দান্ত মায়াঙ্ক-
মাত্র ৪৫ বলে শতরান সম্পন্ন করেন আগরওয়াল। ওপেনিং জুটির ১৮৩ রানের মধ্যে মায়াঙ্কের অবদান ১০৬। ১০টি চার ও ৭টি ছক্কা হাঁকিয়ে দুর্ধর্ষ ইনিংস সাজান মায়াঙ্ক। ম্যাচের শুরু থেকে বোলারদের কোনওরকম রেয়াদ করেননি তিনি। 

পরিণত রাহুল-
মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে যোগ্য সঙ্গত দেন অধিনায়ক কে এল রাহুল। আগরওয়ালে মারমূখী খেলা দেখে নিজেকে অনেকটা গুটিয়ে রেখে তাকে ফ্রি খেলার সুযোগ করে দেন রাহুল। গতকাল ৫৪ বলে মাত্র ৬৯ রান করে আউট হন তিনি। 

পুরানের ক্যামিও-
ম্যাচের শেষদিকে দুজন নতুন ব্যাটসম্যানকে পেয়ে অনেকটা রান আটকানোর পরিকল্পনা করেছিল রাজস্থান রয়েলস। কিন্তু মাত্র ৮ বলে ২৫ রানের নিকোলাস-এর ক্যামিও ইনিংস সেই আশায় জল ঢেলে দেয়। 

ব্যর্থ বাটলার-
গতকাল আইপিএল ২০২০ তে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলার সময় ছন্দে ছিলেন না জশ বাটলার। তাকে ঘিরে রাজস্থান সমর্থকদের অনেক আশা থাকলেও তিনি ফেরেন ৭ বলে ৪ রান করে। 

সুপারহিট জুটি-
গত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও স্টিভ স্মিথ এবং সঞ্জু স্যামসন জুটি রাজস্থানকে ভালো স্টার্ট দেয়। ২৭ বলে ৫০ রান করে ফেরেন স্মিথ। ৪২ বলে ৮৫ রান করে দলকে একটা সময় অবধি একাই টানছিলেন সঞ্জু।  


আইপিএলের সেরা ফিল্ডিং-
রাজস্থান রয়্যালস ইনিংসের অষ্টম ওভারের তৃতীয় বল। কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের স্পিনার এম অশ্বিনের শর্ট বল পুল করেছিলেন দুরন্ত ছন্দে থাকা সঞ্জু স্যামসন। বল উড়ে যাচ্ছিল বাউন্ডারির বাইরে। বাউন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করছিলেন পুরান। তিনি শরীর শূন্যে ভাসিয়ে ক্যাচ ধরে নেন। কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় উড়ন্ত অবস্থায় থাকার সময়ই শরীর বাউন্ডারীর বাইরে পড়বে বুঝে বলটি মাঠে ফিরিয়ে দেন পুরান এক সেকেন্ডেরও কম সমায়ের মধ্যে। নিশ্চিত ছক্কার বদলে সঞ্জুকে ২ রান নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নির্বাচকদের ফের বার্তা-
টানা দুটি ম্যাচে অসাধারণ ব্যাটিং করে নির্বাচকদের তার কথা ভাবতে বাধ্য করছেন সঞ্জু স্যামসন। জাতীয় দলে ঢোকার ক্ষেত্রে তাকে লড়তে হবে রিষভ পন্থের সাথে। এই ইনিংসগুলি তাকে সেই লড়াইয়ে সাহায্য করবে। 

তেওটিয়া শো-
একসময় ২৩ বলে ১৭ রান নিয়ে ধুঁকতে থাকা তেওটিয়া, পাঞ্জাবের ফর্মে থাকা বোলার কটরেলের ওভারে পাঁচটি ছক্কা মেরে ম্যাচের রং ঘুরিয়ে দেন। অল্পের জন্য ছয় বলের প্রত্যেকটিতে ছয় মারার রেকর্ডবুকে নিজের নাম তুলতে ব্যর্থ হন তিনি। তার মতোই আগ্রাসী ব্যাটিং করেন জোফ্রা আর্চারও।