• কাল ছিল আইপিএল ২০২০-এর সপ্তম ম্যাচ• মুখোমুখি হয়েছিল চেন্নাই এবং দিল্লি• একপেশে ম্যাচে ধোনিদের হারালো দুরন্ত দিল্লি• কঠিন পিচে দিল্লির অসাধারণ ব্যাটিংই ম্যাচের গতি নির্ধারিত করে দিয়েছিল

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে আইপিএল অভিযান শুরু করার পর প্রথমে রাজস্থান আর আজ দিল্লি, পরপর দুই ম্যাচে হারল চেন্নাই সুপার কিংস। রান তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ব্যর্থতা, বিশেষ করে ওপেনিং ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার ধারা এখনও কাটছেনা। ফলে জয় হাতছাড়া মাহির দলের। তবে এদিন উইকেটের পিছনে বাজপাখির মতো যা একটি ক্যাচ ধরলেন, তা ক্রিকেটপ্রেমীদের অনেকদিন মনে থাকবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ক্যাচটি ছাড়া গোটা ম্যাচে অধিনায়কত্ব এবং ব্যাটিং দুই জায়গাতেই চূড়ান্ত ব্যর্থ ধোনি। চলতি টুর্নামেন্টে প্রথমে ব্যাট করা দলের জেতার পরিসংখ্যান দেখেও টসে জিতে এদিন দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠান তিনি। শুরু থেকেই বাইশ গজে ঝড় তোলেন পৃথ্বী শ। একবার বল তার ব্যাটের ভেতরের কানা ছুঁয়ে ধোনির হাতে পৌঁছলেও তা বুঝতেই পারেননি প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। ফাস্ট বোলারদের সামলে স্পিনার আসার পর হাত খোলেন শিখর ধাওয়ানও। দুজনে মিলে যোগ করেন ৯৪ রান। ৩৫ দান করে আউট হন ধাওয়ান। ধোনির ভুলে জীবন পাওয়া পৃথ্বী শ খেলেন ৬৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস। ভালো খেলেন ঋষভ পন্থও। ২৫ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটের বিনিময়ে ১৭৫ রান করে দিল্লি। চেন্নাইয়ের পীযুষ চাওলা দুই উইকেট নেন। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের জন্যকঠিন পিচে ধোনির একটা ভুলই ম্যাচে ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল। 

চেন্নাইয়ের ইনিংসে ব্যর্থতার ধারা অব্যাহত রাখেন মুরলী বিজয়। দ্রুত ফেরেন শেন ওয়াটসনও। আজও ব্যর্থ ঋতুরাজ গায়কোয়াড। ৫ রান করে আউট হন তিনি। একাধিকবার ফ্যাফ দু প্লেসিসের ক্যাচ ফেলেন দিল্লির শেমরণ হেটমায়ার। ফলে তিনি এবং কেদার যাদব চেন্নাইয়ের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। কিন্তু রানের গতি ছিল মন্থর। কেদার আউট হওয়ার পর সকলে ধোনি ধামাকা আশা করেছিলেন। কিন্তু আবেশ খানের দুটি জঘন্য বলে চার মারা বাদে বাকি সময় একেবারেই নিষ্ক্রিয় ছিলেন ধোনি। শেষমেশ ১২ বলে মাত্র ১৫ রান করে আউট হন তিনি।