আরসিবির বিরুদ্ধে ব্যাটিং বিপর্যয় কেকেআরের। মহম্মদ সিরাজ আগুনে পেস বোলিং ও যুজবেন্দ্র চাহলের স্পিনের ছোবলের কাছে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ল নাইটদের ব্যাটিং লাইনআপ। ২০ ওভারে মাত্র ৮৪ রান করল ইয়ন মর্গ্যানের দল। এদিন টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কেকেআর। কিন্তু শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইটরা। দ্বিতীয় ওভেরে মহম্মদ সিরাজের বলে আউট হয়ে প্যাভেলিয়নে পেরত যান রাহুল ত্রিপাঠী। তিনি করেন ১ রান। এরপর এসে প্রথম বলেই খাতা না খুলে বোল্ড হন নীতিশ রানা। ৩ রানে ২ উইকেট পড়ে যায় কেকেআরের। তৃতীয় ওভারে ১ রান করে আউট হয়ে যান শুভমান গিল। তার উইকেট নেন নবদীপ সাইনি। চতুর্থ ওবারে মহম্মদ সিরাজের তৃতীয় শিকার হন টম ব্যান্টন। ১০ রান করে আউট হন তিনি। প্রথম ৪ ওভারে ৪ উইকেট পড়ে কার্যত ধসে পড়ে কেকেআরের ব্যাটিং লাইনআপ। 

এরপর কেকেআরের ইনিংস কিছুটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান ও সহ অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। কিন্তু সেই পার্চনারশিপও  বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। নবম ওভারে দলের ৩২  রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট পড় কেকেআরের। ৪ রান করে যুজবেন্দ্র চাহলের বলে আউট হন দীনেশ কার্তিক। এরপর ক্রিজে আসেন প্যাট কামিন্স। তিনি কিছুক্ষণ প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেন। অপরদিক থেকে নিজের ইনিংস চালিয়ে যান কেকেআর অধিনায়ক। কিন্তু ১৩ তম ওভারে আউট হয়ে যান প্যাট কামিন্স। ৪০ রানে ষষ্ঠ উইকেট পড়ে কেকেআরের। চাহলের বলে ৪ রান করে আউট হন কামিন্স। ১৫ ওভার শেষে নাইটদের স্কোর দাঁড়ায় ৫২ রানে ৬ উইকেট। 

১৬ তম ওভারে সপ্তম উইকেটের পতন হয় কেকেআরের। যুজবেন্দ্র চাহলের তৃতীয় শিকার হন কেকেআর অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান। ৩০ করে আউট হন তিনি। ১৬ ওভার শেষে নাইটদের স্কোর দাঁড়ায় ৫৮ রানে ৭ উইকেট। এরপর কুলদীপ যাদব ও লকি ফার্গুসন কেকেআরের ইনিংস যতটা সম্ভব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ধীরে ধীরে তারা এগিয়ে নিয়ে যায় স্কোর বোর্ড। ১৯ ওভার শেষে কেকেআরের স্কোর দাঁড়ায় ৭৮ রানে ৭ উইকেট। ২০ ওভারের শেষ বলে  ১২ রান করে রান আউট হন কুলদীপ। ২০ ওভার শেষে কেকেআরের স্কোর দাঁড়ায় ৮৪ রানে ৮ উইকেট। আরসিবির হয়ে ৩টি উইকেট পান মহম্মদ সিরাজ, ২টি উইকেট পান যুজবেন্দ্র চাহল ও একটি করে উইকেট পান নবদীপ সাইনি ও ওয়াশিংটন সুন্দর। টার্গেট ৮৫ রান।