টস হারলেও দুবাইতে দুরন্ত ব্যাটিং পারফরমেন্স সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২১৯ রান করল ডেভিড ওয়ার্নারের দল। ব্যাটিংয়ে অনবদ্য ৮৭  রান ও ৬৬ রানের ইনিংস খেললেন ঋদ্ধিমান সাহা ও ডেভিড ওয়ার্নার। এদিন টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়র। বেয়ারস্টে  না থাকায় এদিন ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন ঋদ্ধিমান সাহা। দুরন্ত শুরু করেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের দুই ক্রিকেটার। রাবাডা ও নকিয়াদের উপর বিধ্বংসী প্রহার করেন ওয়ার্নার-ঋদ্ধিমান জুটি। প্রথম ২ ওভারে ৩৭ রান দেন রাবাডা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভার শেষ হওয়ার আগেই অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ পূরণ করেন দুই ওপেনার। ওয়ার্নার ও ঋদ্ধির ব্যাটিং ঝড় থেকে বাদ যাননি অশ্বিন, অ্যাক্সর প্যাটেল, তুষার দেশপাণ্ডেরা। 

পাওয়ার প্লে-র পরও বিধ্বংসী ইনিংস জারি রাখেন ডেভিড ওয়ার্নার ও ঋদ্ধিমান সাহা জুটি। দিল্লি বোলারদের  বিরুদ্ধে একের  পর এক আক্রমণাত্বক শট খেলতে থাকেন দুজন।  এরমাঝে নিজের অর্ধশতরানও পূরণ করেন ডেভিড ওয়ার্নার। নবম ওভারেই দলের শতরান পূরন হয়ে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের।  নিজেদের শতরানের পার্টনারশিপও পূরণ করে দেন ওয়ার্নার-ঋদ্ধি জুটি। কিন্তু দশম ওভারে প্রথম উইকেট পড়ে হায়দরাবাদের। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে আউট হন ওয়ার্নার। ৩৪ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। ১০ ওভার শেষে সানরাইজার্সের স্কোর দাঁড়ায় ১১৩ রানে ১ উইকেট। এরপর ক্রিজে আসেন মণীশ পাণ্ডে। অপরদিক থেকে নিজের ইনিংস চালিয়ে যান ঋদ্ধি। অর্ধশতরানও পূরণ করেন তিনি। চালিয়ে যান আক্রমণাত্বক শটও। অর্ধশতরানও পূরণ করে ফেলেন। শেষে ১৫ তম ওভারে শেষ হয় ঋদ্ধির ইনিংস। নকিয়ার বলে ৪৫ বলে ৮৭ রান করে আউট হন তিনি। 

১৫ ওভারের পর রানের গতিবেগ বাড়ানোর চেষ্টা করেন মণীশ পাণ্ডে ও কেন উইলিয়ামসন। বিশেষ করে আক্রমণাত্বক শট খেলেন মণীশ পাণ্ডে। ১৮ তম ওভারে ২০০ রানের গণ্ডী পেরিয়ে যায় সানরাই জার্স হায়দরাবাদ। এদিন দিল্লির তারকা বোলিং লাইনআপের কেউই তেমনভাবে দাগ কাটতে পারেননি। শেষ ওভারেও বজায় থাকে হায়দরবাদের অ্যাটাকিং ব্যাটিং। ২০ ওভার শেষে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে ২১৯। ৩১ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন মণীশ পাণ্ডে ও ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন কেন উইলিয়ামসন। দিল্লি ক্যাপিটালসের টার্গেট ২২০ রান।