স্মার্টফোনের জগতে নোকিয়ার ফিরে আসার গল্প অতুলনীয়। স্যামসাং, অ্যাপেল, ও নতুন সফল ব্যান্ডগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আবার লড়াইয়ের ময়দানে নোকিয়া। আইডিসি রিপোর্ট অনুযায়ী ১০ টি স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানির মধ্যে নোকিয়ার স্থান হয়েছে অষ্টম। আইডিসি রিপোর্ট ছাড়াও এ তথ্য পাওয়া যাবে নোকিয়ামোব.নেট-এ যেখানে বিশদে চার্ট এঁকে দেখানো হয়েছে কতগুলি হ্যান্ডসেট নোকিয়া বিক্রি করেছে। ০.০৫ টলারেন্স রেখে তারা যা হিসেব দেওয়া  হয়েছে কিউ৩ ২০১৭-এ,  তাতে নোকিয়া ২০.৮ মিলিয়ন ফোন বিক্রি করেছে । আইডিসি ডেটা থেকে যে পরিসংখ্যান মিলেছে তা হল,  ইতিমধ্যেই নোকিয়া ১৪.৪ মিলিয়ন ফোন বিক্রি করেছে কিউ৩ ২০১৭ -এর হিসেব অনুযায়ী। এর মধ্যে রয়েছে ১২ মিলিয়ন ফিচার ফোন এবং ০.১ মিলিয়ন স্মার্টফোন। আইডিসি রিপোর্ট অনুসারে  স্মার্টফোন শিপমেন্ট যা দিক নির্দেশ করছে তা এইচএমডি গ্লোবাল রিপোটেও উঠে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটেছে (কিউ৩ ২০১৭)।  

প্রসঙ্গত বলা প্রয়োজন যে এইচএমডি গ্লোবাল এবং মাইক্রোসফট দুজনে মিলে ৩৫ মিলিয়ন ফিচার ফোন বিক্রি করেছে আন্তর্জাতিক পরিসরে যার হার হল ৮.৯ শতাংশ। কিউ৩ ২০১৭ -এর হিসেব মতো বিক্রি হয়েছে ২১ মিলিয়ন ফোন যার মধ্যে ঠিক কতগুলি স্মার্টফোন তা এখুনি জানা সম্ভব নয়।  তবে অনুমান করা হচ্ছে এই সময়কালে সম্ভবত ৩.৪ মিলিয়ন স্মার্টফোন বিক্রি করেছে নোকিয়া। 

অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে স্যামসঙের দখলে ২২ শতাংশ মার্কেট শেয়ার, অ্যাপেলের আছে ১২ শতাংশ মার্কেট শেয়ার এবং শাওমি -এর সমৃদ্ধি খুবই আশাপ্রদ, ইয়ার অন ইয়ারে এর বৃদ্ধি ঘটেছে ১০০ শতাংশ।

কিউ ৩ ২০১৭-এ যা সমীক্ষা পাওয়া গেছে তাতে স্পষ্ট যে  চীনা কোম্পানিদের রমরমা বেড়েছে রকেটের গতিতে, দুই জনবহুল দেশেই। ভারতে এবং চীন-এ।  শাওমি, অপপো এবং ভিভো এগিয়ে গেছে গেছে অনেক, ওদের পিছনে আছে স্যামসাং ও অ্যাপেল। ভারতে এখনও স্যামসাং কোম্পানি এক নম্বরে কিন্তু মাইক্রোম্যাক্স-এর মতো ভারতীয় ব্যান্ডগুলোর পড়তি বাজার দ্রুত দখল করে নিয়েছে চীনা কোম্পানিগুলো।