উত্তরাখণ্ডে দেহরাদুন এবং আলমোড়ার মধ্যে নতুন হেলি পরিষেবা শুরু। মুখ্যমন্ত্রী ধামী शुभारंभ করলেন। পর্যटन এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।

উত্তরাখণ্ডের বিমান পরিবহন ব্যবস্থায় নতুন সংযোজন। দেহরাদুন এবং আলমোড়ার মধ্যে নতুন হেলি পরিষেবা শুরু হওয়ায় রাজ্যের বাসিন্দা এবং পর্যটকদের यात्रा আরও সহজ হল। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী সহস্রধারা হেলিপোর্টে নবনির্মিত যাত্রী টার্মিনালের উদ্বোধন করে এই পরিষেবার शुभारंभ করেন। সপ্তাহে ৬ দিন এই পরিষেবা চালু থাকবে, যা শুধু সময় ব্যয় কমায় না, রাজ্যের পর্যटन এবং কর্মসংস্থানকেও উন্নত করবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

উত্তরাখণ্ডের 'হেলিপোর্ট বিপ্লব'

উত্তরাখণ্ড नागरिक उड्डयन विकास प्राधिकरण (ইউক্যাডা)-র অধীনে রাজ্যে এখন পর্যন্ত ৮ টি হেলিপোর্ট কার্যকর আছে, যা পর্যটক এবং স্থানীয় লোকদের তাদের গন্তব্যে সহজেই পৌঁছে দিচ্ছে। সহস্রধারা, শ্রীনগর, গৌচর, চিনিয়ালিসৌড়, হলদ্বানি, আলমোড়া, পিথোরাগড় এবং মুনসিয়ারি এই সব জায়গায় হেলিপোর্টগুলি ইতিমধ্যেই তাদের পরিষেবা শুরু করে দিয়েছে।

উত্তরাখণ্ড नागरिक उड्डयन विकास प्राधिकरण-এর মতে, আগামী ১ বছরে ত্রিযুগীনারায়ণ, জোশীমঠ, মুসৌরি, রামনগর, বাগেশ্বর এবং হরিদ্বারেও হেলিপোর্ট তৈরি হয়ে যাবে। তথ্য অনুযায়ী, এখন উত্তরাখণ্ডে ১০০ টির বেশি হেলিপ্যাড তৈরি হয়েছে, যা যাত্রী পরিষেবা এবং জরুরি অপারেশনের জন্য সম্পূর্ণ রূপে সক্ষম।

হেলিপোর্ট কি?

হেলিপোর্ট, বিমানবন্দরের মতোই একটি উন্নত পরিকাঠামো, যেখানে অনেক হেলিকপ্টার একসাথে পার্ক করতে পারে। এখানে যাত্রীদের জন্য ক্যান্টিন, শৌচাগার এবং বিশ্রামের মতো মৌলিক সুবিধাও উপলব্ধ। নতুন হেলি পরিষেবা এবং হেলিপোর্টের উন্নয়নের ফলে পর্যটন বৃদ্ধি পাবে, রাজ্যের দুর্গম অঞ্চলে যোগাযোগ সহজ হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে। উত্তরাখণ্ডের বিমান পরিবহন ব্যবস্থার বিস্তার এটিকে পর্যটনের মানচিত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।