গরমে ফ্রিজে বরফ না থাকা মানে বড় সমস্যা। কেউ কেউ আবার বরফ থাকলে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে তার সঙ্গে চিনি মিশিয়ে খান। আর বাড়ির ছোটরা এই কাণ্ড ঘটালে বড়দের বকুনি খেতে হয়। কিন্তু বরফ কি সত্যি অতটাই ক্ষতিকর!

রূপচর্চার জন্য কত রকমের বাজারি ক্রিম ব্য়বহার করা হয়। কিন্তু ঘরে তৈরি টোটকার মতো ফল পাওয়া যায় না। দেরি হলেও তাতে কোনও ভেজাল থাকে না। ফলে সাইড এফেক্ট-ও পড়ে না। কিন্তু সেসব বানানো অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। কিন্তু এইসব টোটকার মতোই কাজ দেয় ফ্রিজে রাখা বরফ। সাধারণ বরফের টুকরোতেই বহু ত্বকের সমস্যার সমাধান হয়। জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী-  


১)মুখে অ্যাকনে বা ব্রণ হলে তার উপরে বরফ লাগান। এতে ওই অংশে তেলতেলে ভাব কমবে। তাড়াতাড়ি মিটবে অ্যাকনের সমস্যা।
২) ত্বকের রোমকূপ থেকেই তেল বেরোয়। এই রোমকূপকে পরিষ্কার করতে বরফ দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত। মুখ অনেকক্ষণ সতেজ থাকে।
৩) গরমে অনেকের গায় ফুসকুড়ি হয়। আবার রোদে বেরলেও ত্বক লাল হয়ে যায়। এক্ষেত্রে বরফ দিয়ে মাসাজ করুন। তৎক্ষণাৎ ফল পাবেন।
৪)  লিপস্টিক পরার কিছুক্ষণ আগে আইস কিউব দিয়ে ঠোঁটে মাসাজ করুন। এতে মৃত কোষ উঠে গিয়ে ঠোঁট সতেজ দেখাবে। ঠোঁটের ভাঁজ ফুটে উঠবে না।
৫) মেক আপ প্রাইমার হিসেবে বরফের টুকরো ব্যবহার করা যেতে। মেক আপ শুরুর আগে ত্বকে বরফ দিয়ে মাসাজ করুন। এতে ঘাম কম হবে এবং মেকআপ বেশিক্ষণ থাকবে।  
৬) ফ্রিজে পরিষ্কার জলে বরফ জমান। সেই বরফ মুখে মাখুন। এতে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ভাল হয়। ফলে ত্বক টানটান থাকে।
৭) মুখে নাইট ক্রিম বা ডে ক্রিম মেখে হালকা বরফ মেখে নিন মুখে। এতে ত্বকের সঙ্গে ক্রিম ভাল করে মেশে। 
৮) চোখে ক্লান্তি, আইব্য়াগ বা চোখের কোল ফুলে থাকলে বরফের টুকরো বা আইস কিউব ব্যবহার করুন। বরফ দিয়ে চোখের পাশে হালকা ভাবে মাসাজ করুন। কমবে আইব্যাগের সমস্যা। বরফ দিয়ে মাসাজ করলে বলিরেখার সমস্য়া থেকেও দূরে থাকা যায়। চোখের কোল ফোলা কমানোর জন্য বরফের সঙ্গে গ্রিন টি মিশিয়ে নিন।
৯) জলের সঙ্গে গোলাপ জল ও শশার রস মিশিয়ে বরফ জমান। সেই বরফ দিয়ে নিয়মিত মুখে মাসাজ করুন। এতে ত্বক থেকে কালো ছোপ দূর হয়। তবে ফল পেতে গেলে রোজ ব্যবহার করুন।