Asianet News BanglaAsianet News Bangla

দু'দিন পিপিই মুড়ে ওয়ার্ডে রাখা করোনা রোগীর দেহ,খবর প্রকাশ্য়ে আসতেই শোরগোল কাঁথিতে

  • হাসপাতালে দুদিন ধরে পড়ে রয়েছে করোনায় মৃতের দেহ
  •  খবর প্রকাশ্য়ে আসতেই হুলুস্থুলু পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি হাসপাতালে
  •  যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ
Hospital authority keep dead Corona patient in ward for two days BTD
Author
Kolkata, First Published Sep 7, 2020, 1:14 AM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

হাসপাতালে দুদিন ধরে পড়ে রয়েছে করোনায় মৃতের দেহ। খবর প্রকাশ্য়ে আসতেই হুলুস্থুলু পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি হাসপাতালে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ।

করোনা  আক্রান্ত  ব্যাক্তির মৃত্যু  হাসপাতালে মৃতদেহ পড়ে থাকতে  দেখে অন্যান্য রোগীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরই মৃত করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিকে সৎকারের জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনাটি ঘিরে কাঁথি মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

জানা গিয়েছে , কাঁথি তিন ব্লকের মারিশদা থানা এলাকায় উৎপল গিরি নামে এক ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। ওই ব্যক্তি কাঁথির একটি কাপড় দোকানের কর্মী ছিলেন। গত কয়েকদিন আগে ওই ব্যক্তির করণা উপসর্গ দেখা দেয়। পরিবারের লোকেরা তড়িঘড়ি করে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এরপর হাসপাতালে রেখে ওই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছিল। লালারস সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। রিপোর্ট আসার আগে ওই ব্যক্তির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। রিপোর্টে ওই ব্যক্তি করোনা পজিটিভ আসে। 

হাসপাতালে পক্ষ থেকে ওই ব্যক্তিকে বেডের মধ্যে পিপিই মুড়ে রাখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পাশের বেডের অন্যান্য রোগীরা চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রোগী থেকে  রোগীর আত্মীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সংবাদ মাধ্যমে কর্মীরা জানতে পারলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসনে আধিকারিকরা। তড়িঘড়ি করে হাসপাতাল থেকে সৎকারের জন্য নিয়ে যায় প্রশাসন তরফ থেকে। 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের অভিযোগ, পিপি মোড়া অবস্থায় দুই দিনের বেশি সময় ধরে পড়ে রয়েছে। এসে দেখি হাসপাতালে পাশের বেডে করোনা আক্রান্তের  মৃতদেহ বেডে পড়ে রয়েছে। এই নিয়ে অন্যান্য রোগীদের অসুবিধা হচ্ছে। শুধু তাই নয় সবাই ভয় আতঙ্কিত হয়ে রয়েছে। এই  বিষয়ে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে সুপার সব্যসাচী চক্রবর্তী বলেন, ওই অবস্থায় মৃত দেহটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া যায় না। আবার মর্গের মৃতদেহটি রাখা যায় না। মৃত্যুর পর পিপিই কিটে মুড়ে রেখে  পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ এসে মৃতদেহটি নিয়ে সৎকারের জন্য নিয়ে গেছে। রোগী নিয়ে এই অভিযোগ সঠিক নয়।

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios