বুধবারই ভারতে আম্বালা বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করেছে ৫টি রাফাল জেট যুদ্ধবিমানের প্রথম ব্যাচ। এই নিয়ে গোটা একটা দিন চুপ করে থাকার পর, বৃহস্পতিবার প্রথম সরকারি প্রতিক্রিয়া জানালো পাকিস্তান। আরর তাতেই স্পষ্ট হয়ে গেল, বুক কেঁপে গিয়েছে ইসলামাবাদের।

এদিন পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক এক সরকারি বিবৃতি দিয়ে বলেছে, নয়াদিল্লি নিরাপত্তার জন্য যত পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র প্রয়োজন, তার বাইরে গিয়ে প্রচুর পরিমাণে সামরিক সাজ-সরঞ্জাম জোগাড় করে চলেছে। এই অবস্থায় আন্তর্জাতিক মহলকে পাকিস্তান অনুরোধ করেছে, ভারতকে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অস্ত্র মজুত করা থেকে বিরত রাখতে চাপ দেওয়া হোক। নাহলে দক্ষিণ এশিয়ায় অস্ত্রের প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যেতে পারে।

প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা ভারতীয় বায়ুসেনায় রাফালের অন্তর্ভুক্তি-কে 'গেম-চেঞ্জিং' বলছেন। কাগজে-কলমে রাফাল যুদ্ধবিমান, পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বা চিনের জে-২০ জেট-এর তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। এই নতুন পাঁচটি যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বর্তমানে আইএএফ-এর স্কোয়াড্রন সংখ্যা ৩১-এ পৌঁছেছে। গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স ২০২০-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, পাক বায়ুসেনার হাতে মোট ১,৪৭২ টি এয়ারক্র্যাফ্ট রয়েছে। সেখানে আইএএফ-এর হাতে এয়ারক্র্যাফ্ট আছে ২,১২৩ টি। একইভাবে, ভারতের এগিয়ে আছে ফাইটার জেটের সংখ্যাতেও। ভারতীয় বায়ুসেনার ৫৩৮টি যুদ্ধবিমানের পাশে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমানের সংখ্যা নেহাতই ৩৫৬টি।