লাদাখে ভারত-চিন সংঘাত নিয়ে ফের একবার মুখ খুললেন  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে আমেরিকা আরও এক বার বুঝিয়ে দিল, পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে  তারা ভারতের পাশেই রয়েছে। ট্রাম্প হুঙ্কার ছাড়লেন , লাদাখ সীমান্তে চীন যে `'আগ্রাসী' মনোভাব দেখাচ্ছে, গোটা বিশ্বে সেটাই চিনা কমিউনিস্ট পার্টির 'আসল চেহারা'।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র। ভারত-চিন সংঘাত প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ট্রাম্পের এই বিষয়ে বক্তব্য খুব পরিষ্কার। লাদাখ সীমান্তে চিন যে আগ্রাসন দেখাচ্ছে, গোটা পৃথিবীতেই চিন সেই আগ্রাসন দেখিয়ে থাকে। যদিও এই বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি ট্রাম্পের মুখপাত্র।

দক্ষিণ চিন সাগরে আধিপত্য  নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই চিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এই অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং জাপান চিনের বিরুদ্ধে বারবার আগ্রাসনের অভিযোগ তুলে এসেছে। অন্য দিকে হংকং এবং তাইওয়ান নিয়েও সমস্যা চলছে। চীনের হংকং পদক্ষেপ নিয়ে পৃথিবীর বহু দেশ সমালোচনা করছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের বক্তব্য কূটনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের পাশে থেকে এক্ষেত্রে অ্যামেরিকা চিনকে বার্তা দিতে চাইছে বলেই মনে করছেন তাঁরা।

ট্রাম্প অবশ্য বলেছেন, ভারত এবং চিন দুই দেশই আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজার চেষ্টা করছে। আমেরিকা এই প্রক্রিয়াকে সাধুবাদ জানায়। , এর আগে লাদাখ সমস্যা মেটানোর জন্য মধ্যস্থতার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ভারত এবং চিন দুই দেশই অবশ্য তাতে সম্মতি জানায়নি।

এদিকে ট্রাম্পের এই বক্তব্যের একদিন আগেই মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও ভারতের পাশে দাঁড়ান। তিনি বলেছিলেন, ভারত যে ৫৯টি চীনা অ্যাপের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তা তিনি সমর্থন করেন। তাঁর বক্তব্য, সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে এবং দেশের নিরাপত্তা অটুট রাখতেই এই কাজ করেছে ভারত। তাঁর এই বিষয়ে পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।