হংকং-এ চিনের দমন নীতির বিরুদ্ধে চলা আন্দোলনকে গলা টিপে মারতে চিনের পক্ষ থেকে একটি নতুন জাতীয় সুরক্ষা আইন জারি করা হয়েছে। সেই আইনের আওতায় আন্দোলনকারী, স্কুল এবং গ্রন্থাগারের উপর চাপানো হচ্ছে কড়া চিনা সেন্সরশিপ। চিনের এই পদক্ষেপকে 'অরওয়েলিয়ান' পদক্ষেপ বলে কটাক্ষ করলেন মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

সোমবার পম্পেও এই বিষয়ে এক কড়া বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'চিনা কমিউনিস্ট পার্টির হাতে স্বাধীন হংকং-এর ধ্বংস অব্যাহত রয়েছে'। তাঁর অভিযোগ এই 'দমনকারী' জাতীয় সুরক্ষা আইন প্রণয়নের পর তার 'কালি শুকিয়ে যেতে না যেতেই' স্থানীয় কর্তৃপক্ষ 'একটি অরওয়েলিয়ান পদক্ষেপে' হংকং-এ কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের জাতীয় সুরক্ষা অফিস প্রতিষ্ঠা করেছে। তারা গ্রন্থাগারের তাক থেকে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সমালোচনা করা বইগুলি সরিয়ে দিচ্ছে। রাজনৈতিক স্লোগান নিষিদ্ধ করেছে। এখন স্কুলগুলিকেও সেন্সরশিপের আওতায় আনা হচ্ছে। একে পম্পেও 'হংকং-এর জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার উপর সর্বশেষ হামলা' বলে অভিহিত করেছেন।

বস্তুত, চিনা দমননীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে হংকং-এ আন্দোলন চলছে। বিশেষতঃ, তরুণ প্রজন্ম, স্কুল-কলেজের ছাত্ররা এই আন্দোসলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে।  এরপরই সম্প্রতি চিন সরকার নতুন করে জাতীয় সুরক্ষা আইন প্রয়োগ করে এই অর্থনৈতিক হাবে। নতুন আইনের অধীনে পর্যালোচনা করার জন্য স্কুলগুলিকে আপাতত বইপত্তর সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতা বা স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে সওয়াল করা সমস্ত মতামতকে অপরাধ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। গ্রন্থাগার থেকে গণতন্ত্রপন্থী বইপত্র, পত্রপত্রিকা খুঁজে খুঁজে বের করে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।