মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভিসাদানের নিয়মে পরিবর্তন। গর্ভবতী মহিলাদের আর ভিসা দেওয়া হবে না। শুক্রবার থেকেই কার্যকর হচ্ছে এই নিয়ম। শরণার্থীদের অনুপ্রবেশ রুখতেই এই নিয়ম পরিবর্তন। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আর গর্ভবতী মহিলাদের ভিসা দেওয়া হবে না। বৃহস্পতিবার এই নিয়ে কথা জানিয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস। শুক্রবার থেকেই এই নিয়ম কার্যকর করা হবে। তাদের দাবি, গর্ভবতী মহিলার আড়ালে ঢুকে মার্কিন ভূমে ঢুকে পড়ছে শরণার্থীরা। এতে করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর উদ্বাস্তুদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করলেন বলে মনে করা হচ্ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বিদেশীরা আমেরিকার মাটিতে জন্ম দিলে তাঁদের সন্তানরা স্থায়ী আমেরিকান নাগরিকত্ব পায়। প্রতি বছর এভাবে হাজার হাজার উদ্বাস্তু শিশু মার্কিন ভিসা পেয়ে থাকে, বলে দাবি। শুধু তাই নয়, দিন দিন এই সংখ্যাটা ক্রমেই বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। আর অভিবাসন নীতির এই ফাঁক গলেই প্রতি বছর আমেরিকার উদ্বাস্তু সংখ্যা বেড়ে চলেছে। এই ফাঁক বন্ধ করতেই নয়া নীতি গ্রহণ করা হল বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র স্টেফানি গ্রিশাম এক বিবৃতিতে বলেছেন, 'জাতীয় সুরক্ষার পাশাপাশি মার্কিন নাগরিকত্বের অখণ্ডতা রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ'। সহজে স্থায়ী মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার লক্ষ্যেই বেশ কিছু বিদেশী মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন করেন। এই বিষয়টিকে ট্রাম্প প্রশাসন বলছে 'জন্ম পর্যটন'। হোয়াইট হাউস থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, 'জন্ম পর্যটন'-এর জন্য আর অস্থায়ী বি -১ এবং বি -২ ভিসা দেওয়া হবে না।

তবে বিষয়টি কতখানি কার্যকর করা যাবে তাই নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে। কারণ নয়া বিধিতে কোথাও ভিসার আবেদন করা মহিলারা গর্ভবতী কিনা তা পরীক্ষা করার কথা বলা নেই। স্পষ্ট বলা হয়েছে, কোনও অবস্থাতেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাজের কোনও মহিলার গর্ভাবস্থা পরখ করার অনুমতি নেই। কাজেই, কেউ নিজেকে গর্ভবতী বলে ঘোষণা না করলে তাঁকে আটকানোর উপায় নেই।