নিজের ১০ মাসের সদ্যোজাত সন্তানকে ধর্ষণ করে হত্যার করার অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। কিন্তু এই বাবার বিরুদ্ধে আরও তীব্র অভিযোগ রয়েছে।  অভিযুক্ত তাঁর নিজের সদ্যোজাত কন্যা সন্তানকে প্রথম যৌন নিপীড়ণ করে। তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলার সময় সেই ব্যক্তি গুগুলের সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে সার্চ করে কী করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করতে হবে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তি নজর দিয়েছিলে কী করে লোপাট করতে হবে হত্যার প্রমান। শিশুকে ধর্ষণ আর হত্যার অভিযোগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পিনিসলভিয়ার পুলিশ গ্রেফতার করেছে ২০ বছরের অস্টিন স্টিভেনসকে। যদিও হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছে অস্টিন। সে জানিয়েছে, তার শিশুর শ্বাস এমনিতেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

পুলিশ জানিয়েছে শনিবার বাবার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ১০ মাসের শিশুটিকে। চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল। তবে চিকিৎসকা অনেক চেষ্টা করেছিলেন শিশুটিকে বাঁচাতে। কিন্তু তাতে তাঁরা সফল হননি। তারপরই ঘটনার তদন্তে নামে মার্কিন পুলিশ। 

শিশুটি মূলত থাকতে তাঁর ঠাকুমা আর দাদুর কাছে। কিন্তু তাঁদের বাড়িয়ে গরম জলের সমস্যা থাকায় শিশুকে বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। সেখানে বাবার দায়িত্বেই ছিল ছোট্ট মেয়েটি।  ময়না তদন্তের রিপোর্টেও শিশুটির যৌন নির্যাতনের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়। পাশাপাশি দেখা য়ায় নির্যাতিতা শিশুটির মস্তিস্কে অক্সিজেন কমে গিয়েছিল। এই ঘটনা যে সময় ঘটেছিল সেই সময় দেখা যায় তার বাবা সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই মহিলার সঙ্গে চ্যাট করছে, পাশাপাশি গুগুলি সার্চ করছে কী করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। তাতেই পুলিশের সন্দেহ হয় শিশুটিকে